সরকারের ১১৮ কোটি টাকা ক্ষতিসাধনের অভিযোগে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের সেলস অ?্যান্ড মার্কেটিং বিভাগের সাবেক পরিচালক মোহাম্মদ আলী আহসান বাবু ও উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) ইফতিখার হোসেন চৌধুরীকে গ্রেফতার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
গতকাল সেগুনবাগিচা থেকে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়। দুদকের উপ-পরিচালক নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বাধীন একটি টিম তাদের গ্রেফতার করে। এর আগে গতকাল সকালে গ্রেফতারকৃত এই দুই জনসহ বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ১৬ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক।
দুদকে দায়েরকৃত মামলায় গ্রেফতারকৃত মোহাম্মদ আলী আহসান ও ইফতিখার হোসেন চৌধুরী ছাড়া অন্য আসামিরা হলেন—বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ভারপ্রাপ্ত মহাব্যবস্থাপক (কার্গো) মো. আরিফ উল্লাহ, সাবেক সহকারী ব্যবস্থাপক (বাণিজ্যিক) বর্তমানে কান্ট্রি ম্যানেজার, দাম্মাম, সৌদি আরব মো. শহিদুল ইসলাম, সাবেক সহকারী ব্যবস্থাপক (চলতি দায়িত্ব/বাণিজ্যিক) কার্গো শাখা বর্তমানে রিজিওনাল ম্যানেজার, রিয়াদ, সৌদি আরব, আমিনুল হক ভুঁইয়া, সাবেক সহকারী ব্যবস্থাপক (বাণিজ্যিক) মো. লুতফে জামাল, সাবেক সহকারী ব্যবস্থাপক (বাণিজ্যিক) মোশাররফ হোসেন তালুকদার, সাবেক সহকারী ব্যবস্থাপক (বাণিজ্যিক) রাজীব হাসান, সাবেক সহকারী ব্যবস্থাপক (বাণিজ্যিক) নাসির উদ্দিন তালুকদার, সাবেক সহকারী ব্যবস্থাপক (বাণিজ্যিক) অনুপ কুমার বড়ুয়া, সাবেক সহকারী ব্যবস্থাপক (চলতি দায়িত্ব/বাণিজ্যিক) কে এন আলম, সহকারী ব্যবস্থাপক (বাণিজ্যিক) মো. ফজলুল হক, সাবেক সহকারী ব্যবস্থাপক (বাণিজ্যিক) সৈয়দ আহমেদ পাটওয়ারী, সাবেক সহকারী ব্যবস্থাপক (চলতি দায়িত্ব/বাণিজ্যিক) মনির আহমেদ মজুমদার, সাবেক ব্যবস্থাপক আমদানি এ কে এম মঞ্জুরুল হক ও সাবেক সহকারী ব্যবস্থাপক (বাণিজ্যিক) মো. শাহজাহান।
এজাহারে বলা হয়েছে, আসামিগণ বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের কার্গো শাখায় দায়িত্ব পালনকালে অসদুদ্দেশ্যে পারস্পরিক যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার-পূর্বক অপরাধজনক বিশ্বাস ভঙ্গ করে নিজেরা লাভবান হয়ে নন-শিডিউল ফ্রেইটারদের লাভবান করার কুমতলবে ৪ হাজার ১১৫টি নন-সিডিউল ফ্রেইটার কর্তৃক পরিবহনকৃত ১৪ কোটি কেজি কার্গো ও মেইলের বিপরীতে জিএইচসি (গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং কমিটি) এর মোট ১১৮ কোটি টাকা আদায় না করে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস তথা সরকারের আর্থিক ক্ষতি সাধন করেছে।
