দেশের পার্বত্য অঞ্চলে রীতিমতো হাতি হত্যার উত্সব চলছে। আবার হাতির আক্রমণে মানুষ মারা যাচ্ছে। হাতি কৃষকের ফসল নষ্ট করছে। এসবের জন্য দায়ী আমরা। হাতির দোষ নেই। হাতি বনে থাকে । আমরা রোহিঙ্গাদের জন্য হাজার হাজার একর বন ধ্বংস করেছি। হাতি যে পথ দিয়ে যায়, সে পথে রোহিঙ্গা বসতি গড়ে উঠেছে, যা হাতিকে অন্য পথ বেছে নিতে বাধ্য করছে। একদল অসাধু ব্যক্তি সরাসরি বৈদ্যুতিক ফাঁদ পেতে হাতি হত্যা করছে, যা সত্যিই অমানবিক। ১৬ বছরে ৬১টি হাতি হত্যা করা হয়েছে। আর হাতির আক্রমণে মারা গেছে ৬৪ জন মানুষ। হত্যা না করেও হাতি তাড়ানো যায়। বিভিন্ন রকম পদ্ধতি আছে। শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে হাতি তাড়ানো সোলার ফেনসিং (বৈদ্যুতিক তারের বেড়া) অচল। ফলে বন্য হাতি লোকালয়ে ঢুকে পড়ছে। অথচ সোলার ফেনসিং থাকলে হাতি মারা যেত না। কিন্তু পরোক্ষভাবে সামান্য আঘাতে পালিয়ে যেত। হাতি আমাদের পরিবেশ-প্রকৃতির জন্য অমূল্য সম্পদ। তাই হাতি তাড়ানোর আধুনিক পদ্ধতি ব্যবহার করা হোক। হাতি চলার পথে রোহিঙ্গা বসতি উঠে যাক। আর যারা সরাসরি বৈদ্যুতিক ফাঁদ পেতে হাতি হত্যা করছে, তাদের বিচার দাবি করছি।
মুহাম্মদ শফিকুর রহমান
বনানী, ঢাকা
