বাংলাদেশের অ্যাথলেটিকসকে যারা ভালোবাসেন এই খবর তাদের আহত করেছে। আহত করেছে আরো আরেকটি খবর, তা হলো মালদ্বীপে নাকি অ্যাথলেটিকস ট্র্যাক বসেছে দুই বছর আগে। অ্যাথলেটিকসে মালদ্বীপকে নিয়ে আলোচনাই ছিল না। মঙ্গলবার ১০০ স্প্রিন্টে মালদ্বীপের সাঈদ হাসান তারকা বনে গেলেন। সাঈদ হাসান ২০০৯ সালে অ্যাথলেটিকসে নাম লিখিয়েছেন। পরের বছরই ঢাকায় এসএ গেমসে এসে ব্রোঞ্জ পেয়েছিলেন। কতটা স্বল্প সময়ের মধ্যে চূড়ায় উঠেছেন তিনি। সাঈদ হাসান নেপালে সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন তার জেদের কথা। অধ্যবসায়ের কথা। সাঈদ হাসান বলেন, ‘আমাদের সুযোগ সুবিধা বেশি নেই। নেপালে আসার আগেও আমাকে পুরোটা সময় দেশে অনুশীলন করতে হয়েছে। দুই বছর আগে আমরা সিনথেটিক ট্র্যাক পেয়েছি। সীমিত সাধ্যের মধ্যে দেশকে প্রথম স্বর্ণ এনে দেওয়ার চেষ্টায় সফল হয়েছি। এটাই আমার কাছে বড়ো পাওয়া।’
এসএ গেমসে কারাতে ডিসিপ্লিনে যখন স্বর্ণ জয়ের তাজা খবরগুলো মাতিয়ে দিচ্ছে, তখন অনেক প্রত্যাশার শ্যুটিং হতাশার খবর দিয়েছে। দেশের ক্রীড়াপ্রিয়রা প্রত্যাশায় ছিলেন বাকি স্বর্ণ জয়ের খবর দেবেন। এত বড়ো বড়ো আন্তর্জাতিক শ্যুটিং আসরে লড়াই করে এসএ গেমসের মতো শ্যুটিং মঞ্চে জ্বলে উঠতে পারেননি বাকি। ব্রোঞ্জ নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হলো। স্বর্ণ জয় করেছেন ভারতের পঙ্কজ কুমার। দলগত ইভেন্টেও ব্রোঞ্জ জিতেছেন বাকি। মেয়েদের ৫০ মিটাির রাইফেল থ্রি পজিশন দলগত লড়াইয়ে বাংলাদেশ রৌপ্য পেয়েছে।
