বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মামলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরাসরি হস্তক্ষেপ করছেন বলে অভিযোগ করে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, জামিনের বিষয়ে বুধবার রাতেই মেডিক্যাল বোর্ডের রিপোর্ট চূড়ান্ত হয়। সরকারের সরাসরি হস্তক্ষেপে খালেদা জিয়ার জামিন বদলে দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বুধবারের বক্তব্যে ফুটে ওঠে তিনি এই মামলায় সরাসরি হস্তক্ষেপ করছেন। তিনি যে বক্তব্য দিয়েছেন তা সরাসরি বিচার বিভাগের ওপর হস্তক্ষেপ শামিল, আদালত অবমাননা ও কিছুটা রায়ের মতোই। গতকাল বৃহস্পতিবার নয়াপল্টনে বিএনপি কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন। সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বেগম সেলিমা রহমান, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু, মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
ফখরুল বলেন, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় সাজাপ্রাপ্ত বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার আপিল শুনানি সাত দিন পিছিয়ে দেওয়া এবং বেগম জিয়ার আইনজীবীদের মৌখিক আবেদন গ্রহণ না করায় সমগ্র জাতি আজ শুধু হতাশই নয়, বিক্ষুব্ধ হয়েছে। তিনি বলেন, এ ধরনের মামলায় সাধারণত সাত দিনের মধ্যে জামিন হয়। কিন্তু বেগম জিয়ার ক্ষেত্রে এটা হয়নি। তার জামিন পদে পদে বাধা দেওয়া হচ্ছে।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার পরবর্তী চিকিত্সা না হলে তার মৃত্যুর আশঙ্কা রয়েছে। তার চিকিত্সার ক্রমাবনতি ও চিকিত্সা না হওয়ার দায়দায়িত্ব এই সরকার প্রধানকে বহন করতে হবে।
