সিংগাইরে ধর্ষণ শেষে প্রতিবন্ধীকে গলা কেটে হত্যা

আপডেট : ০৭ ডিসেম্বর ২০১৯, ০০:০১

সিংগাইরে ছমিরন (৪৫) নামে এক বুদ্ধিপ্রতিবন্ধীকে ধর্ষণ শেষে হত্যার ঘটনায় রোকমান (৩৫) নামের এক ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে গ্রামবাসী। গত বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার বলধারা গোলাইডাঙ্গা গ্রামে প্রবাসী সিরাজুল ইসলামের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে রোকমান ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। এ ব্যাপারে গতকাল শুক্রবার দুপুরে থানায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে। পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে। নিহতের ভাই সিরাজুল ইসলামের স্ত্রী মামলার বাদী মোছা. সেবিকা আক্তার সুমি মামলার এজাহারে উল্লেখ করেন, ছমিরন (৪৫) বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী ও শারীরিকভাবে অসুস্থ থাকার কারণে ঘটনার রাতে তাকে ঘরে রেখে দরজা বাইরে তালা দিয়ে তিনি ও তার শাশুড়ি নুরজাহান বেগমসহ বাড়ির লোকজন ওয়াজ শুনতে যান। একা থাকার সুযোগে ব্রি-কালিয়াকৈর গ্রামের মো. আমোদ আলীর ছেলে মো. রোকমান ঘরের পাশের রুমের দরজার শিকল খুলে এবং ঘরের বেড়া ভেঙে গভীর রাতে ছমিরনের ঘরে ঢুকে ধর্ষণের পর  রান্নাঘর থেকে বটি এনে গলা কেটে হত্যা করে। হত্যা করে চলে যাওয়ার সময় গ্রামবাসী রোকমানকে আটক করে। রোকমান গ্রামবাসীর কাছে স্বীকার করেন, পাঁচ-সাত বছর আগে ছমিরনকে ধর্ষণ করতে গেলে তখন ছমিরনের ডাকচিত্কারে বাড়ির লোকজন জড়ো হয়ে তাকে প্রচণ্ড মারধর করে। তারই প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য ছমিরনকে ধর্ষণ করার পর হত্যা করা হয়।

সিংগাইর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. আলমগীর হোসেন বলেন, ঘাতক রোকমান একজন নেশাখোর। কিছুদিন আগেও মাদক মামলায় হাজত খেটেছে সে এবং পূর্বের ঘটনার জের ধরেই এ ঘটনাটি ঘটিয়েছে। থানার ওসি আব্দুস সাত্তার মিয়া বলেন, মাদকের বিষয়টি জানি না। সে ইটভাটায় কাজ করে। এ ব্যাপারে মামলা হয়েছে এবং আসামিকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।