বিশ্বকাপের আগে বড়ো সুযোগ দেখছেন নান্নু

আপডেট : ০৭ ডিসেম্বর ২০১৯, ২১:৩৮

স্পোর্টস রিপোর্টার

কুমিল্লা দলের কর্মকর্তা হিসেবে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) নজর তো রাখতেই হবে মিনহাজুল আবেদীন নান্নুকে। সেই সঙ্গে আরেকটা গুরু দায়িত্ব মাথায় রয়েছে তার। জাতীয় দলের প্রধান নির্বাচক হিসেবে প্রতিটা দলের দিকেই চোখ রাখতে হবে। দলের কোন খেলোয়াড় কেমন করছে, সেটা দেখার পাশাপাশি নতুন খেলোয়াড়ও খুঁজবে তার চোখ। নান্নু গতকাল বলছিলেন, এই টুর্নামেন্টটা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ সামনে রেখে খেলোয়াড়দের জন্য বড়ো একটা সুযোগ। 

মূলত যারা জাতীয় দলের আশপাশে আছেন, তাদের ওপর যে তীক্ষ্ন একটা চোখ রাখা হবে, সেটা নান্নু পরিষ্কার করে দিলেন, ‘আমাদের যতগুলো প্লেয়ার আছে সবাই তো আছে সব টিমে। এই বিপিএলটা আমাদের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ। সামনে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আছে। অনেকগুলো টি-টোয়েন্টি ম্যাচও আছে। ঐখানে পারফরম্যান্সটা গুরুত্বপূর্ণ। কিছু কিছু জায়গায় আমাদের ল্যাকিং আছে, এগুলো নিয়ে আমরা কাজ করছি। টিম ম্যানেজমেন্ট আমরা সবাই চাচ্ছি এসব জায়গায় কিছু প্লেয়ারের পারফরম্যান্স। এই বিপিএলটা ঐ জায়গায় দেখব। কিছু প্লেয়ার যদি এখান থেকে আমরা পেয়ে যাই আমাদের জন্য প্লাস পয়েন্ট।’

নান্নু মনে করেন, বিদেশি যেসব বড়ো তারকা আসছেন, তাদের কাছ থেকে শেখারও ভালো একটা সুযোগ পাবেন স্থানীয় ক্রিকেটাররা। তিনি বলছিলেন, ‘অনেকগুলো ভালো প্লেয়ার আসছে। তাদের সঙ্গে আমাদের স্থানীয় প্লেয়ারদের একটা বিরাট সুযোগ নিজেদের অভিজ্ঞতা বাড়ানোর জন্য। প্লেয়ারদের জন্য একটা বিরাট সুযোগ, যে সমস্ত প্লেয়ার টি-টোয়েন্টিতে নিজেদের মানিয়ে নিতে পারে না একটা সুযোগ এসেছে। সামনে যেহেতু আমাদের বিশ্বকাপের খেলাগুলো আছে। আমাদের স্কোয়াড নিয়ে আমরা কাজ করছি। আমাদের তরুণ ক্রিকেটারদের জন্যও এটা গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ভালো খেললে তা আমাদের দলের জন্য ভালো।’

নান্নু বলছিলেন, এক মাঠে একটানা অনেক খেলা হবে বলে বৈচিত্র্যপূর্ণ উইকেট পাওয়া কঠিন। তারপরও তারা আশা করবেন, যাতে বিভিন্ন ধরনের উইকেট ও কন্ডিশন পান, ‘আমরা তো একনাগাড়ে অনেকগুলো ম্যাচ একটি মাঠে খেলি। তো সে হিসেবে হোম আর অ্যাওয়ে সিস্টেম হওয়ার সম্ভাবনা কম। সেক্ষেত্রে উইকেট তো আমরা অবশ্যই চাই যে স্পোর্টিং উইকেট হোক। এক এক জায়গায় এক এক ধরনের উইকেট হোক। যাতে ক্রিকেটাররা মানিয়ে নিতে পারে। আবহাওয়া অনুযায়ী যথেষ্ট ঠান্ডা থাকবে। রাতের ম্যাচগুলোতে অনেক কুয়াশা থাকবে। উইকেট যেমনই থাকুক। শিশিরের জন্য একটু অন্যরকম হবে। বোলারদের জন্য বিশেষ করে কষ্টদায়ক হয়ে যায়। রাতের খেলা আর দিনের খেলা, দুই রকমের ম্যাচ হবে। দুই ম্যাচে দুই ধারায় মানিয়ে নেওয়াও আমাদের ক্রিকেটারদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এটা গুরুত্বপূর্ণ জিনিস। এখান থেকে সেরা পারফরম্যান্স বের হবে।’

বিপিএলটা খুব গুরুত্বপূর্ণ হলেও জাতীয় দলের বিদেশি কোচরা এটা সেভাবে দেখতে পারবেন না। নান্নু জানালেন বড়ো দিনের ছুটিতে থাকবেন তারা, ‘ওদের কিছুটা ছাড় দিতে হবে। কেননা ক্রিসমাসের ছুটি আছে। এরপর ম্যানেজমেন্টের সবাই এসে এখানে ম্যাচ দেখবে। ঐ সময়ে একটু গ্যাপ পড়তে পারে। তারপরে আমাদের কোচের সঙ্গে যে কথা হয়েছে ওরা পুরা ম্যাচ কাভার করবে।’