এসএ গেমস ক্রিকেট
স্পোর্টস রিপোর্টার
ম্যাচটা কাগজে কলমে তাত্পর্যহীন ছিলো। দুই দলই আগেই ফাইনালে উঠে গেছে। বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা ম্যাচটা ছিলো তাই ফাইনালের মহড়া মাত্র। বাংলাদেশ অনুর্ধ্ব-২৩ দলও ম্যাচটাকে হালকাভাবে নিয়েছিলো। বিশ্রামে রেখেছিলো অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ও সিনিয়র অলরাউন্ডার সৌম্য সরকারকে। তারপরও শ্রীলঙ্কার একেবারে আনকোরা দলের বিপক্ষে এমন ফলাফল কাঙ্খিত ছিলো না। সেই অনাকাঙ্খিত ঘটনাই ঘটেছে। শ্রীলঙ্কা ৯ উইকেটে হারিয়েছে বাংলাদেশ দলকে।
আগে ব্যাট করে ব্যাটিং ধ্বস সামলেও মাহিদুল ইসলাম অংকন ও ইয়াসির আলীর ব্যাটে ৬ উইকেটে ১৫০ রান করেছিলো বাংলাদেশ। জবাবে মাত্র ১৬.১ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যে পৌছে যায় শ্রীলঙ্কা।
এই ম্যাচে বাংলাদেশ দলের অধিনায়কত্ব করেছেন সাইফ হাসান। তিনি সৌম্যর জায়গায় নাঈমের সাথে ইনিংস শুরু করেছিলেন। দুই ওপেনারের কেউ সুবিধা করতে পারেননি। ২১ রানে বাংলাদেশ হারায় ৩ উইকেট। নাঈম ৬, সাইফ ৪ রান করে ফেরেন। এরপর অংকন এক প্রান্তে থিতু হলেও আফিফ হোসেন ধ্রুব ৬ রান করে আউট হয়ে যান।
অংকন ও ইয়াসির ভালো একটা জুটি করেন। শুরুতে ধীরে খেললেও একসময় আক্রমনাত্মক হয়ে ওঠেন তারা। ৮০ রানের জুটি করেন দু জনে। অংকন ৩৮ বলে ৪টি চার ও ২টি ছক্কায় ৪৪ রান করে ফেরেন। অন্য দিকে ইয়াসির ৪৫ বলে ৫টি চার ও একটি ছক্কায় ৫১ রান করে ফেরেন। শেষের দিকে আরেকটু রান বাড়ান জাকির ও মেহেদী। জাকির ১৭ বলে ২০ এবং মেহেদী ৪ বলে ৮ রান করেন।
জবাব দিতে নেমে শুরুতে ভালো অবস্থাতেই ছিলো বাংলাদেশ। শ্রীলঙ্কার দলীয় স্কোর ১৭ রানেই প্রথম উইকেট তুলে নেন মেহেদী হাসান। ৬ রানে ফিরে আসেন ফার্নান্দো। কিন্তু এরপরই অসাধারণ একটা জুটি করে ম্যাচ বের করে নিয়ে যান নিশানকা ও ক্রুসপুল্লে। নিশানকা ৫২ বলে ৬৭ রান করে অপরাজিত থাকেন। ক্রুসপুল্লে ৪১ বলে ৭৩ রান করে অপরাজিত থাকেন।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
বাংলাদেশ: ২০ ওভারে ১৫০/৬ (ইয়াসির ৫১, অংকন ৪৪, জাকির ২০; ফার্নান্দো ২/২৯)।
শ্রীলঙ্কা: ১৬.১ ওভারে ১৫১/১ (ক্রুসপুল্লে ৭৩*, নিশানকা ৬৭*)
ফল: শ্রীলঙ্কা অনুর্ধ্ব-২৩ ৯ উইকেটে জয়ী
