গাজীপুর সিটি করপোরেশনের টঙ্গীর ৫০ নম্বর ওয়ার্ড চাংকিরটেক এলাকায় গতকাল রবিবার ভোরে সেলিম মিয়া ওরফে কাইল্যা সেলিম (৩৫) নামে এক যুবককে চোর সন্দেহে পিটিয়ে হত্যা করেছে এলাকাবাসী। নিহত সেলিম মুন্সিগঞ্জ জেলার টঙ্গীবাড়ি থানার বেসনাল এলাকায় মৃত আবুল কাসেমের ছেলে। তিনি এরশাদনগর ৪ নম্বর ব্লক এলাকায় পরিবার নিয়ে বসবাস করতেন। খবর পেয়ে টঙ্গী পূর্ব থানা পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করেছে।
এলাকাবাসী জানায়, সেলিমের বিরুদ্ধে এরশাদনগরসহ টঙ্গীর বিভিন্ন বাসাবাড়িতে গ্রিলকেটে ও তালা ভেঙে চুরির অভিযোগ রয়েছে। রবিবার ভোররাত সাড়ে ৩টার দিকে সে চাংকিরটেক এলাকায় গ্রিলকেটে চুরি করতে গেলে এলাকাবাসী ধাওয়া করে তাকে ধরে গণপিটুনি দেয়। একপর্যায়ে তাকে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখলে ভোর ৫টার দিকে সে মারা যায়।
নিহতের স্ত্রী নাজমা আক্তার বলেন, আমার স্বামী চোর নয়। রাতে ৫০০ টাকা নিয়ে সোর্স সেলিমের উদ্দেশে বাসা থেকে বের হয়ে যায়। আমার ধারণা তাকে এলাকার চিহ্নিত কিছু সন্ত্রাসী পরিকল্পিতভাবে পিটিয়ে হত্যা করেছে। আমি জেনেছি, নির্মমভাবে তাকে পিটুনির একপর্যায়ে সকাল সাড়ে ৪টার দিকে তিনি তাদের কাছে পানি খেতে চাইলে তাকে পানিও দেওয়া হয়নি। আমি আমার স্বামী হত্যার বিচার চাই।
এ ব্যাপারে টঙ্গী পূর্ব থানার ওসি মো. কামাল হোসেন বলেন, নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
পারিবারিক কলহের জেরে তরুণীর আত্মহত্যা
টঙ্গীর পূর্ব আরিচপুর এলাকায় খাদিজা (২০) নামে এক তরুণী পারিবারিক কলহের জেরে বাথরুমের দরজা বন্ধ করে রডের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। রবিবার সকালে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় টঙ্গী মডেল থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ মেডিক্যাল মর্গে প্রেরণ করেছে। নিহত খাদিজা কিশোরগঞ্জের নিকলী থানার আলিয়া পাড়া গ্রামের হারিছ মিয়ার মেয়ে। টঙ্গী পূর্ব থানার ওসি মো. কামাল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
