দেশে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর রয়েছে। দ্রব্যমূল্য নির্ধারণ ও দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধিতে তাদের কোনো ভূমিকা আছে বলে মনে হয় না। কিছুদিন আগে এক প্যাকেট স্যালুন টিস্যু কিনলাম। প্যাকেটে মুদ্রিত খুচরা মূল্য ছিল ৪৫ টাকা। এক মাস পরে কিনতে গিয়ে দেখি মুদ্রিত খুচরা মূল্য ৫০ টাকা, এর কয়েকদিন পর হয়ে গেল ৫৫ টাকা। মাত্র দু’মাসের ব্যবধানে একটি পণ্যের মূল্য প্রায় ২৩ শতাংশ বাড়ল। এ মূল্যবৃদ্ধির কারণ ব্যাখ্যা করে পত্রিকায় বা মিডিয়ায় কোনো বিজ্ঞপ্তি দিয়ে ক্রেতাকে জানানো হয়নি। কোনো পণ্য ২ টাকা ছাড় হলে কোম্পানিগুলো মিডিয়ায় ঢাকঢোল পিটিয়ে তা প্রচার করে, অথচ মূল্য বৃদ্ধি গোপনে করা হয়। ইতিমধ্যে জীবন রক্ষাকারী ওষুধসহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য কয়েক গুণ বেড়েছে। কোন পণ্যের উত্পাদন খরচ কত সে বিবেচনায় তার বাজার মূল্য নির্ধারণ করার ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষের যথাযথ ভূমিকা প্রয়োজন। কোনো জিনিসের দাম বাড়াতে হলে ইলেকট্রিক ও প্রিন্ট মিডিয়ায় কারণ ব্যাখ্যাসহ পূর্ব ঘোষণা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা প্রয়োজন। অন্যদিকে মোবাইলফোন কোম্পানিগুলো কৌশলে জনগণের পকেট কাটছে। আমি নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা লোড দিলাম, যার নির্দিষ্ট মেয়াদ বেঁধে দেওয়া হয়, ফলে আমার প্রয়োজন না হলেও ঐ মেয়াদে টাকা ব্যয় করতে হয়, নইলে ঐ টাকা গায়েব করে ফেলা হয়। আমি টাকা লোড দিয়ে আমার প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যয় করব। তার জন্য মেয়াদ বেঁধে দেওয়ার নিয়ম বন্ধ করা হোক অথবা সর্বনিম্ন মেয়াদ ১ মাস এবং অন্যান্য মেয়াদ দ্বিগুণ করা হোক। এ বিষয়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
মো. ইয়াছিন মজুমদার
অধ্যক্ষ, ফুলগাঁও ফাযিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসা,
লাকসাম, কুমিল্লা
০
