অনায়াসে স্বর্ণ জিতল ছেলেরা

আপডেট : ০৯ ডিসেম্বর ২০১৯, ২২:০৪

এসএ গেমস ক্রিকেট

স্পোর্টস রিপোর্টার

ফাইনালের ঠিক আগের দিন মুখোমুখি হয়েছিল বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কা অনূর্ধ্ব-১৯ দল। সেই ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে হেরে যাওয়ায় একটু শঙ্কা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু ফাইনালে সেই শঙ্কার ছোয়া ছিল না।

নাজমুল হোসেন শান্ত, সৌম্য সরকাররা দলে ফেরায় উড়েই গেল শ্রীলঙ্কা। তাদের ৭ উইকেটে হারিয়ে ক্রিকেটে দ্বিতীয় স্বর্ণ জিতল শান্তরা। আগে ব্যাট করে ১২২ রানে অলআউট হয়েছিল শ্রীলঙ্কা। জবাবে ১৮.১ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় বাংলাদেশ।

আগে ব্যাট করা শ্রীলঙ্কা শুরুটা একেবারে খারাপ করেনি। ৪.৪ ওভারে ৩৬ রান তুলেছিল তারা। কিন্তু ১ রানের ব্যবধানে ২ উইকেট হারিয়ে ফেলে দলটি। নিশানকা ২২ ও ফার্নান্দো ১৬ রান করে ফেরেন। এরপর আরো দুটি উইকেট দ্রুত হারায় লঙ্কানরা। ২ উইকেট এক ওভারে তুলে নেন হাসান মাহমুদ। এরপর আশান ২৫ রান করে একটা পালটা আক্রমণের চেষ্টা করেছিলেন। তাকেও ফেরান হাসান মাহমুদ। আর এখান থেকে খেলা বাংলাদেশি বোলারদের নিয়ন্ত্রণে চলে আসে।

পরে দুই স্পিনার তানভির ইসলাম ও মেহেদি হাসানও উইকেট শিকারে যোগ দিলে শ্রীলঙ্কা উইকেট হারাতে থাকে নিয়মিত বিরতিতে। শাম্মু আশানের ২০ বলে ২৫ রান কিছুটা এগিয়ে নিয়েছিল দলকে। সৌম্য সরকারের করা ইনিংসের শেষ ওভারে ১২ রান এলে লঙ্কানদের রান ছাড়ায় ১২০। ইনিংসের শেষ ওভারে লঙ্কানরা ১২২ রানে অলআউট হয়।

জবাব দিতে নামা বাংলাদেশের হয়ে ইনিংস শুরু করেন সাইফ ও সৌম্য সরকার। নিয়মিত ওপেনার মোহাম্মদ নাঈম এই ফাইনাল খেলেননি। দুই ওপেনার ৪৪ রান তোলেন ৭.৫ ওভারে। সৌম্য ২৮ বলে ২৭ রান করে ফেরেন। এরপর সাইফ ফিরে আসেন ৩০ বলে ৩৩ রান করে। এখান থেকে ম্যাচের দায়িত্ব আবারও নিজের কাঁধে তুলে নেন অধিনায়ক শান্ত। তিনি ২৮ বলে ২টি চার ও একটি ছক্কায় ৩৫ রান করে অপরাজিত থাকেন। আর শেষ দিকে তাকে সঙ্গ দেন ১৬ বলে ১৯ রান করা ইয়াসির এবং ৭ বলে ৫ রান করা আফিফ হোসেন ধ্রুব।

সংক্ষিপ্ত স্কোর :

শ্রীলঙ্কা অনূর্ধ্ব-২৩: ২০ ওভারে ১২২/১০ (আশান ২৫, নিশানকা ২২, ফার্নান্দো ১৬; হাসান ৩/২০, তানভির ২/২৮, সুমন ১/১৬)।

বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২৩: ১৮.১ ওভারে ১২৫/৩ (শান্ত ৩৫*, সাইফ ৩৩, সৌম্য ২৭, ইয়াসির ১৯)।

ফল : বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২৩ দল ৭ উইকেটে জয়ী

ম্যান অব দ্য ম্যাচ : হাসান মাহমুদ

ম্যাচ অব দ্য টুর্নামেন্টে : কামিন্ডু মেন্ডিস।