টেস্টের
আমন্ত্রণ
পেল
অজিরাও
স্পোর্টস ডেস্ক
পাকিস্তানে টেস্ট খেলতে গিয়েছে শ্রীলঙ্কা। আগেই সেখানে গিয়ে টেস্ট খেলার আমন্ত্রণ পেয়েছে বাংলাদেশ দলও। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) এটুকুতেই ক্ষান্ত হচ্ছে না। এবার ২০২২ সালে সেখানে গিয়ে টেস্ট খেলার আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে খোদ অস্ট্রেলিয়া দলকে। জানিয়েছেন সংস্থাটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াসিম খান। বাংলাদেশের সম্ভাব্য পাকিস্তান সফরের ব্যাপারেও নতুন করে আশাবাদ জানিয়েছেন তিনি। ওয়াসিম খান সাংবাদিকদের বলেন, ‘শিডিউল অনুযায়ী পাকিস্তানের মাটিতে অস্ট্রেলিয়া তিনটি টেস্টের সিরিজ আছে। অস্ট্রেলিয়া যাতে ২০২২ সালে পাকিস্তানে খেলতে আসে সেজন্য আমরা চেষ্টার কোনো কমতি রাখব না।’
সেই ১৯৯৮ সাল থেকে পাকিস্তানের মাটিতে কোনো সিরিজ খেলতে যায়নি অস্ট্রেলিয়া দল। সেজন্য অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে পাকিস্তান দল এতদিন তাদের হোম সিরিজ খেলেছে শ্রীলঙ্কা, ইংল্যান্ড কিংবা সংযুক্ত আরব আমিরাতের মাটিতে। ওয়াসিম খান মনে করেন, পাকিস্তান আরো বেশি টেস্ট খেলার দাবি রাখে। তিনি বলেন, ‘এটা খুবই দুর্ভাগ্যজনক যে, বাকি দলগুলোর চেয়ে আমরা এখন অনেক কম টেস্ট খেলার সুযোগ পাই। বাকিরা যেখানে ৮ থেকে ১৪ টা টেস্ট খেলে এক মৌসুমে। আমরা সেখানে খেলি ছয় থেকে সাতটা।
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত না জানালেও ওয়াসিম খানের দাবি পিসিবি এরই মধ্যে আসছে জানুয়ারির সিরিজের সূচি চূড়ান্ত করে ফেলেছে। টেস্ট সিরিজটা অনুষ্ঠিত হবে আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অধীনে।
ওয়াসিম খান বলেন, ‘আমরা এরই মধ্যে সিরিজের সূচি পাঠিয়েছি, ওদের (বিসিবি) জবাবের জন্য অপেক্ষা করছি। শ্রীলঙ্কা দুই টেস্টের সিরিজ খেলতে চলে এসেছে। আমি তাই মনে করি না, জানুয়ারিতে দল পাঠাতে বিসিবি কোনোরকম আপত্তি করবে।’
বাংলাদেশ দল সর্বশেষ ২০০৮ সালের পর থেকে আর কখনোই পাকিস্তানে সফর করেনি। ২০০৯ সালে শ্রীলঙ্কা দলের ওপর সন্ত্রাসী হামলার পরবর্তী সময় পাকিস্তানে ক্রিকেট একরকম নির্বাসিতই ছিল। সেই সময় জিম্বাবুয়ে, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও শ্রীলঙ্কার মতো বাংলাদেশকেও আতিথেয়তা দিতে চেয়েছিল পিসিবি। তবে, বিসিবি কখনোই সেই আমন্ত্রণে সায় দেয়নি। নারী দল ও বয়সভিত্তিক দলগুলো কয়েকবার করে এই সময়ে পাকিস্তান সফর করে এলেও জাতীয় দল কখনোই পাকিস্তান সফর করেনি।
