মানিকগঞ্জ জেলা স্থানীয় সরকারের উপপরিচালক ফৌজিয়া খান এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাহেলা রহমত উল্লাহ সিংগাইর উপজেলার সায়েস্তা ইউনিয়ন পরিষদের জমিতে অবস্থিত অবৈধ দোকানপাট ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেওয়ার পর মোট ২৬টি দোকানের মধ্যে ১৯টি ভেঙে ফেলা হয়েছে। বাকি সাতটি এখনো ভাঙা হয়নি।
সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আবু বকর সিদ্দিক বলেন, পরিষদের নামে এখানে ১০ শতাংশ জমি রয়েছে। যার দলিলপত্র আমি পরিষদে রেখে এসেছি। এর আগেও এখানে ঘর উত্তোলন করে জায়গাটি দখল করেছিল স্থানীয় কতিপয় ব্যক্তি। আমি চেয়ারম্যানের দায়িত্বে থাকাকালে জায়গাটি দখলমুক্ত করি। সেই খালি জায়গাতেই বর্তমান চেয়ারম্যান দোকান ঘর উত্তোলন করে পজিশন বিক্রি করেছেন। এর কোনো রেজুলেশনও নেই।
সিংগাইর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাহেলা রহমত উল্লাহ বলেন, অনুমতি ছাড়া পরিষদের জায়গায় স্থাপনা করা কিংবা বরাদ্দ দেওয়া চেয়ারম্যানের এখতিয়ারে নেই। আগেও তিনি এ ধরনের কাজটি করেছিলেন। ১৯টি দোকান ভেঙে দেওয়া হয়েছে। বাকিগুলোর ব্যাপারেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
