বিনিয়োগে আস্থার সংকট অর্থনীতির জন্য ঝুঁকি ................................ এমসিসিআই

আপডেট : ১২ ডিসেম্বর ২০১৯, ২১:৩৬

সরকারের নেওয়া নানামুখী উদ্যোগেও প্রত্যাশিত হারে বিনিয়োগ বাড়ছে না। বিনিয়োগ প্রত্যাশিত হারে না বাড়ার পেছনে আস্থার ঘাটতি রয়েছে মনে করছে দেশের ব্যবসায়ীদের অন্যতম বড়ো ও প্রভাবশালী সংগঠন মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ (এমসিসিআই)। বিনিয়োগকারীর এই আস্থার ঘাটতিকে অর্থনীতির জন্য অন্যতম ঝুঁকি হিসেবে মনে করছে সংগঠনটি। চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকের (জুলাই-সেপ্টেম্বর) সামষ্টিক অর্থনীতি নিয়ে পর্যালোচনায় এ ঝুঁকির বিষয়টি তুলে ধরেছে এমসিসিআই। মূল্যস্ফীতির চাপ, আমদানি-রপ্তানির গতিমন্থরতাকেও অর্থনীতির জন্য ঝুঁকি হিসেবে চিহ্নিত করেছে। এছাড়া অবকাঠামো দুর্বলতা, বিদ্যুত্ ও জ্বালানি স্বল্পতা এবং সঞ্চালন ব্যবস্থার দুর্বলতার বিষয়টিও পর্যালোচনায় উঠে এসেছে।

তবে আলোচ্য সময়ে অর্থনীতি সার্বিকভাবে ইতিবাচক ছিল বলে পর্যালোচনায় উল্লেখ করা হয়। বিশেষত প্রবাসী আয়ে ঊর্ধ্বগতি, মুদ্রার বিনিময় হার স্থিতিশীল থাকা এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ভালো অবস্থানে থাকার বিষয়টি অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

গতকাল বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এমসিসিআইর ঐ পর্যালোচনায় বলা হয়, অবকাঠামো খাতে প্রত্যাশিত অগ্রগতি না হওয়া, গ্যাস-বিদ্যুতের স্বল্পতা এবং সঞ্চালন লাইনের দুর্বলতাসহ আরো কিছু সমস্যা সত্ত্বেও দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি সন্তোষজনক। বিশেষত জিডিপি প্রবৃদ্ধি, মাথাপিছু আয়, প্রবাসী আয়, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এবং বিদেশি বিনিয়োগসহ প্রধান অর্থনৈতিক সূচকে ইতিবাচক গতি রয়েছে। আলোচ্য সময়ে দেশের কৃষি, উত্পাদন এবং সেবা খাতের অগ্রগতি সন্তোষজন অবস্থানে ছিল। তবে অবকাঠামো খাতের দুর্বলতা, গ্যাস-বিদ্যুতের স্বল্পতা ও সঞ্চালন দুর্বলতা সব উত্পাদনশীল খাতের অগ্রগতিকে নিচে নামিয়ে দিচ্ছে। এসব সমস্যা সমাধানে সরকারের যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া দরকার। একই সঙ্গে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টির জন্য রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা অর্জন করার পাশাপাশি তা রক্ষা করা প্রয়োজন। উচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জনের ক্ষেত্রে এটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু।