জাতীয় ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু করার উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। দেশের সব জেলার ফুটবল চাঙ্গা করতে এমন উদ্যোগ। যে সকল জেলা ফুটবলে পিছিয়ে আছে তারাও জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপ ফুটবলকে কেন্দ্র করে তত্পর হবে, এমন প্রত্যাশার কথা জানিয়েছে বাফুফে। গতকাল জাতীয় ফুটবল নিয়ে একটি সভা হয়েছে। যেখানে বাফুফের সভাপতি কাজী সালাহউদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম সোহাগ, সদস্য মাহফুজা আক্তার কিরণ, হারুনুর রশিদ, শওকত আলী খান জাহাঙ্গীর, জাকির হোসেন চৌধুরী, লিগ কমিটির কর্মকর্তা আব্দুর রহিম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপ বঙ্গবন্ধুর নামে নামকরণ করা হয়েছে। বঙ্গবন্ধু জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে দেশের সব জেলায় ফুটবলে জাগরণ তৈরি করবে এমন আশা নিয়ে এই টুর্নামেন্ট আয়োজনের পরিকল্পনা করা হয়েছে বলে জানা গেছে। আগামী ১০ জানুয়ারি টুর্নামেন্ট শুরু হওয়ার সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে গতকালকের সভায়। এই তারিখ পরিবর্তন হতে পারে। তবে ১০ জানুয়ারি সামনে রেখেই কার্যক্রম এগিয়ে নিতে চায় বাফুফে।
৬৪ জেলাকে ৮ ভাগে ভাগ করা হয়েছে। খেলা হবে সপ্তাহে দুই দিন। শুক্রবার খেলা হবে। সোম অথবা মঙ্গলবারও খেলা হতে পারে। দেড়মাসের মধ্যে পুরো খেলা শেষ হবে। ফুটবলে হোম অ্যান্ড অ্যাওয়ে পদ্ধতিতে খেলা হয়নি। এই টুর্নামেন্টকে হোম অ্যান্ড অ্যাওয়ে পদ্ধতিতে খেলার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এই পদ্ধতিতে যদিও প্রত্যেক দুই দুটি করে ম্যাচ পাবে তবে প্রত্যেক জেলাকে প্লেট পর্বে খেলার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। বাফুফের সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম সোহাগ জানিয়েছেন এক জেলা অরেক জেলায় গিয়ে খেলবে। প্রতিপক্ষ দলও আরেক অ্যাওয়ে ম্যাচ খেলবে। দুই ম্যাচের হিসাবে যে দলটি এগিয়ে থাকে পরবর্তি রাউন্ডে যাবে আর পিছিয়ে থাকা দল প্লেট পর্বে খেলার সুযোগ পাবে। তিনি বলে প্লেট পর্বেও দুই ম্যাচ পাবে একটি দল। অর্থাত্ একটি দল চারটি করে ম্যাচ পাচ্ছেই।’
৮ অঞ্চলের বাছাই হতে ৮ চ্যাম্পিয়ন দল চূড়ান্ত পর্বে খেলবে। কোথায় হবে চূড়ান্ত পর্ব সেটি চূড়ান্ত করেনি বাফুফে। যেহেতু হাতে সময় রয়েছে তাই একটু ভাবতে চায় ফেডারেশন। বঙ্গবন্ধু জাতীয় ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের আয়োজকরা টিকিট বিক্রি করে অর্থ আয় করতে পারবে। তবে বাফুফে এই সব জেলাকে আর্থিক সহায়তা করবে বলে জানিয়েছেন আবু নাঈম সোহাগ। বাজেট দেড় কোটি টাকা।
