টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে মশাজান গ্রামে বখাটের অত্যাচার ও শ্লীলতাহানির শিকার আত্মহত্যাকারী সুমাইয়ার (১৬) অসহায় পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।
ঘটনার ছয় দিন পার হলেও স্থানীয় কিছু টাউট মাতব্বর ও বখাটে সোয়াদের প্রভাবশালী পরিবারের চাপের মুখে আইনের আশ্রয় নিতে পারছে না বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। মামলা না করার জন্য নানাভাবে হুমকি দেওয়ার কারণে নিরীহ পরিবারটি কোথায় গিয়ে বিচার পাবে এ নিয়ে হতাশার মধ্যে রয়েছে।
স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহলের চাপে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চলছে। ঘটনার ছয় দিন পরও মামলা না হওয়ায় এলাকায় বিরূপ প্রতিক্রিয়া ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। গতকাল দৈনিক ইত্তেফাকের প্রথম পাতায় প্রতিবেদন প্রকাশের পর এলাকায় তোলপার শুরু হয় এবং নড়েচড়ে বসেছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যসহ প্রশাসনের কর্মকর্তাগণ। প্রতিবেদন প্রকাশের পর থেকেই ঘটনার মূলহোতা শাহ মাহিনুল হক সোয়াদ (১৭) আত্মগোপন করেছে বলে স্থানীয় লোকজন জানিয়েছে। গতকাল পুলিশ, ডিবি ও ডিএসসিসহ পুলিশের বেশ কয়েকটি ইউনিটের সদস্যরা মশাজান ও ফতেপুর গ্রাম পরিদর্শন করেছেন।
থানার অফিসার ইনচার্জ মো. সায়েদুর রহমান বলেন, এসএসসি পরীক্ষার্থী সুমাইয়ার আত্মহত্যার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। সুমাইয়ার পরিবারকে সার্বিক নিরাপত্তাসহ সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। পরিবারটি লিখিত অভিযোগ দিলে তদন্ত সাপেক্ষে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার করা হবে। রাতে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত থানায় মামলা হয়নি।
