দেশে টেক্সটাইল প্রকৌশলী বাড়লেও কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়েনি

আপডেট : ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯, ০০:১৩

দেশে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগের ফলে টেক্সটাইল প্রকৌশলী বাড়ছে। গত কয়েক বছরে এক্ষেত্রে সন্তোষজনক অগ্রগতি হয়েছে। তবে এর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে টেক্সটাইল কারখানা না বাড়ায় এ খাতে বেকার সমস্যা বাড়ছে। গতকাল শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সেমিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন। টেক্সটাইল খাতের টেকসই উন্নয়নে সরকার ও উদ্যোক্তাদের সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান জানিয়েছেন তারা। মাসিক টেক্সটাইল বার্তা আয়োজিত ঐ সেমিনারে এ খাতের উদ্যোক্তা এবং বিশেষজ্ঞরা দেশের গার্মেন্টস ও টেক্সটাইল খাতের বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরার পাশাপাশি বেশকিছু সুপারিশও তুলে ধরেন।

‘সংকটে টেক্সটাইল খাত, উত্তরণে আশু করণীয়’ শীর্ষক এ সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন জামালপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য প্রকৌশলী মোজাফ্ফর হোসেন। সভাপতিত্ব করেন টেক্সটাইল বার্তার সম্পাদক প্রকৌশলী নাজমুল আহসান।

বক্তারা বলেন, প্রায় প্রতিদিনই কোনো না কোনো গার্মেন্টস ও টেক্সটাইল কারখানা বন্ধ হচ্ছে। অথচ রপ্তানি আয়ের বেশিরভাগই এ খাত থেকে আসে। এতে ক্রমেই বেকারত্বের হার বাড়ছে। তারা বলেন, সাধারণত স্পিনিং, উইভিং, ওভেন ডায়িং, নিটিং, নিট ডায়িং, ওয়াশিং ডায়িং কারখানাগুলোতে বস্ত্রখাতের প্রকৌশলীদের সিংহভাগের কর্মসংস্থান হয়ে থাকে। গত ১০ বছরে বস্ত্র খাতের প্রকৌশলী বেড়েছে। নতুন করে পাইপলাইনে রয়েছে বিশাল সংখ্যক। কিন্তু সে হারে কারখানা বাড়েনি। এ পরিস্থিতির উন্নয়নের সরকারি-বেসরকারি খাতকে সমন্বিতভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান বক্তারা।

এ সময় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন প্রকৌশলী ফখরুল আলম, আইটিইটির সভাপতি প্রকৌশলী মো. সফিকুর রহমান, প্রাইম এশিয়া ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক এম এ খালেক প্রমুখ।