বাংলাদেশে ব্রিটিশ হাই কমিশনার রবার্ট ডিকসন বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের নেতৃত্বে কনজারভেটিভ পার্টির বিপুল বিজয়ের ফলে বাংলাদেশের সঙ্গে ব্রিটেনের সম্পর্কের কোনো প্রভাব পড়বে না। ব্রিটেনে ক্ষমতার ধারাবাহিকতা থাকায় সম্পর্ক একই থাকবে। বাংলাদেশ ও ব্রিটেনের সুসম্পর্ক সবসময় বিদ্যমান রয়েছে।
গতকাল শুক্রবার সকালে ব্রিটেনে নির্বাচনের ভোটের ফলাফল দেখাতে রাজধানীর বারিধারায় ব্রিটিশ হাই কমিশনারের বাসভবনে এক সুধী সমাবেশের আয়োজন করা হয়। ব্রিটিশ হাই কমিশনার রবার্ট ডিকসন ও কূটনীতিকরা অনুষ্ঠানে আগত অতিথিদের স্বাগত জানান। সেখানে বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক, রাজনীতিক, বিশেষজ্ঞ, সম্পাদক, সাংবাদিকসহ সমাজের বিভিন্নস্তরের প্রতিনিধিরা যোগ দেন। অনুষ্ঠানে বড়ো পর্দায় ফলাফল প্রকাশের সঙ্গে উপস্থিত ব্যক্তিবর্গ নানা আলোচনায় ফলাফল বিশ্লেষণ করেন।
অনুষ্ঠানে হাইকমিশনার ডিকসন বলেন, বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে সম্পর্কে কোনো প্রভাব পড়বে না। দুই বন্ধু দেশের মধ্যে সহযোগিতাও অটুট থাকবে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবাই একমত যে, বরিস জনসনের নেতৃত্বে কনজারভেটিভ পার্টির অবস্থান শক্ত হওয়ায় ব্রেক্সিট কার্যকর করা এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। ইইউ থেকে ব্রিটেনের বেরিয়ে যাওয়ার বিষয়টিও এখন নিশ্চিত। এখন ব্রেক্সিটের জন্য নতুন সময় নির্ধারণ হবে। আলোচনার মাধ্যমে ইইউর সঙ্গে ব্রিটেনের সম্পর্কের নতুন ধারাও নির্ধারিত হবে।
অনুষ্ঠানে ভোটের ফলাফলে বেশ আগ্রহ দেখা যায় বঙ্গবন্ধুর নাতনি টিউলিপ সিদ্দিকের হ্যাট্রিক জয়ের খবরে। নির্বাচনে লেবার পার্টির এ ভরাডুবির সময়ে টিউলিপসহ বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত চারজন নারীর বিজয়ে উচ্ছ্বাস দেখা যায়। চতুর্থবারের মতো রুশনারা আলি, দ্বিতীয়বারের মতো রুপা হক এবং নতুন মুখ আফসানা বেগম জয়ী হয়েছেন।
