মহান বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে দেশের বিভিন্ন স্থানে বর্ণাঢ্য আয়োজন করা হয়। এ সময় শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও শিক্ষার্থীদের ডিসপ্লে হয়। ইত্তেফাক প্রতিনিধি ও সংবাদদাতাদের পাঠানো খবর।
রাজশাহী :জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ, বিএনপি, ওয়ার্কার্স পার্টি, জাতীয় পার্টি, জাসদ, বাসদ, সাম্যবাদী, কমিউনিস্ট পার্টিসহ স্থানীয় ১৪ দল, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, রুয়েট, রাজশাহী কলেজ, শিক্ষাবোর্ড, রেশম উন্নয়ন বোর্ড, সিটি করপোরেশন, রাকাব, জেলা ও বিভাগীয় প্রশাসন, রাজশাহী সাংবাদিক ইউনিয়ন (আরইউজে), রাজশাহী প্রেসক্লাব ও রাজশাহী সড়ক পরিবহন গ্রুপসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং সংস্থার পক্ষ থেকে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এদিকে রাসিক মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটনের নেতৃত্বে মহানগর আওয়ামী লীগ এবং মিজানুর রহমান মিনুর নেতৃত্বে জেলা ও মহানগর বিএনপি রাজশাহী কলেজ শহিদ মিনারে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করা হয়। এছাড়া রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘সাবাস বাংলাদেশ’ চত্বরে উপাচার্য প্রফেসর আব্দুস সোবহান এবং বিভাগীয় স্টেডিয়ামে বিভাগীয় কমিশনার হুমায়ুন কবীর খোন্দকার কুচকাওয়াজে অভিবাদন ও সালাম গ্রহণ করেন।
ভোলা (দক্ষিণ) :সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসের সূচনা করা হয়। পরে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিফলকে জেলা প্রশাসক মো. মাসুদ আলম ছিদ্দিক, পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার পৃথকভাবে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এছাড়া ভোলা গজনবী স্টেডিয়ামে বিজয় দিবসের সমাবেশ ও কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়।
রংপুর : রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের পুলিশ কমিশনার মোহা. আবদুল আলীম মাহমুদ বিপিএম, মুত্তাকী ইবনু মিনান উপ-পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম), অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনারসহ আরপিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা মর্ডান মোড় শহিদ মিনারে সব বীর শহিদের প্রতি পুষ্পস্তবক অর্পণ এবং গার্ড অব অনারের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এছাড়া বিভাগীয় প্রশাসন, জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসনসহ সরকারি প্রতিষ্ঠান ও সংস্থাগুলো শ্রদ্ধা নিবেদন করে। রংপুর সিটি করপোরেশন কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।
সুনামগঞ্জ : জেলা প্রশাসনের আয়োজনে সুনামগঞ্জ জেলা স্টেডিয়াম মাঠে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও বেলুন উড়িয়ে কর্মসূচি উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সুনামগঞ্জ পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান প্রমুখ।
মৌলভীবাজার : এম সাইফুর রহমান স্টেডিয়ামে পতাকা উত্তোলনের পর কাব, গার্লস গাইড, স্কাউটসহ বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে কুচকাওয়াজ ও শারীরিক কসরত প্রদর্শন হয়। দুপুরে জেলা প্রশাসন ও পৌরসভার উদ্যোগে মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
রাঙ্গামাটি : শহিদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদনের মাধ্যমে রাঙ্গামাটি কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে পর্যায়ক্রমে মুক্তিযোদ্ধা, রাঙ্গামাটির জেলা প্রশাসক এ কে এম মামুনুর রশিদ, রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. প্রদানেন্দু বিকাশ চাকমা, রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বৃষ কেতু চাকমা প্রমুখ পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
খাগড়াছড়ি : ৩১ বার তোপধ্বনির পর প্রথমে খাগড়াছড়ি জেলা মুক্তিযোদ্ধা ইউনিট কমান্ডার, পরে সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার রহিছ উদ্দিন, টাস্কফোর্স চেয়ারম্যান ও এমপি কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা, পার্বত্য চট্টগ্রাম সংরক্ষিত আসনের এমপি বাসন্তী চাকমার পক্ষে প্রতিনিধি দল, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরী প্রমুখ শহিদ বেদিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।
সাতক্ষীরা :সাতক্ষীরা স্টেডিয়ামে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, মোনাজাত, পুলিশ, বিএনসিসিসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রীদের সমন্বয়ে কুচকাওয়াজ ও শরীরচর্চা প্রর্দশনী, রক্তদান কর্মসূচি, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। বিজয় দিবস উদ্যাপন কমিটির সভাপতি জেলা প্রশাসক এস এম মোস্তফা কামালের সভাপতিত্বে সাতক্ষীরা স্টেডিয়ামে বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা সদর আসনের সংসদ সদস্য মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি।
পাবনা :সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে জেলা পুলিশ প্যারেড ময়দানে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসের সূচনা করা হয়। এরপর মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভ দুর্জয় পাবনায় পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা জানান স্থানীয় সংসদ সদস্য গোলাম ফারুক প্রিন্স, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রেজাউল রহিম লাল, জেলা প্রশাসক কবীর মাহমুদ, পুলিশ সুপার শেখ রফিকুল ইসলাম ও জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ।
টাঙ্গাইল :স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, জেলা পরিষদ, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠন ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। পরে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে টাঙ্গাইল স্টেডিয়ামে বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের নিয়ে বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় সালাম গ্রহণ করেন জেলা প্রশাসক শহীদুল ইসলাম ও পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায়। অনুষ্ঠানে টাঙ্গাইল স্টেডিয়ামে টাঙ্গাইল-৫ আসনের সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন, সাবেক সংসদ সদস্য মনোয়ারা বেগম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
নেত্রকোনা :জেলা প্রশাসক মঈনউল ইসলাম মার্চপাস্টের সালাম গ্রহণ করেন। এ সময় মঞ্চে ছিলেন পুলিশ সুপার আকবর আলী মুনসী। এছাড়া শিশুদের জন্য মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক চিত্রাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতা, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন এবং মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
মাগুরা: নোমানী ময়দানে অবস্থিত শহিদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিস্তম্ভে মাগুরা-১ আসনের এমপি অ্যাডভোকেট সাইফুজ্জামান শিখর, জেলা প্রশাসক আশরাফুল আলম, পুলিশ সুপার খান মোহাম্মদ রেজোয়ান প্রমুখ পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন। এরপর মুক্তিযোদ্ধা আছাদুজ্জামান স্টেডিয়ামে পুলিশ, গার্লস গাইড, রোভার স্কাউটসহ বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়।
শেরপুর :শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিস্তম্ভে রাষ্ট্রের পক্ষে প্রথমে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন হুইপ মো. আতিউর রহমান আতিক এমপি। এরপর জেলা প্রশাসক আনার কলি মাহবুব, পুলিশ সুপার কাজী আশরাফুল আজীম, পৌর মেয়র গোলাম মোহাম্মদ কিবরিয়া শহিদ বেদিতে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন। পরে স্থানীয় শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি স্টেডিয়ামে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন শেষে কুচকাওয়াজ ও মনোজ্ঞ শারীরিক কসরত অনুষ্ঠিত হয়।
লালমনিরহাট :শেখ কামাল স্টেডিয়ামে জেলা প্রশাসক আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। পরে কুচকাওয়াজ ও শিশু-কিশোরদের অংশগ্রহণে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ডিসপ্লে প্রদর্শন হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মো. আবু জাফর, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মতিয়ার রহমন, পুলিশ সুপার এস এম রশিদুল হক প্রমুখ।
বাগেরহাট :বাগেরহাট হেলাল উদ্দিন স্টেডিয়ামে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও পায়রা এবং বেলুন উড়িয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ। এ সময় বাগেরহাট জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সংসদ সদস্য ডা. মোজাম্মেল হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা শেখ কামরুজ্জামান টুকু, পুলিশ সুপার পংকজ চন্দ্র রায় প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। পরে কুচকাওয়াজ, শরীর চর্চা ও ডিসপ্লে প্রদর্শন, মুক্তিযোদ্ধা ও শহিদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।
নোয়াখালী :জেলা শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিফলকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন জেলা প্রশাসক তন্ময় দাস, পুলিশ সুপার মো. আলমগীর হোসেনসহ জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, জেলা আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পর্টি ও বিভিন্ন রাজনৈতি দল। পরে নোয়াখালী শহীদ ভুলু স্টেডিয়ামে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও কুচকাওয়াজ এবং শরীরচর্চা অনুষ্ঠিত হয়। দুপুরে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে মুক্তিযোদ্ধা, বীরঙ্গনা ও শহিদ পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
অন্যদিকে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) বর্ণাঢ্য আয়োজন করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. মো. দিদার-উল-আলম দিবসের কমসূচির উদ্বোধন করেন।
কুড়িগ্রাম :শহিদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিফলক ও মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পমাল্য অর্পণের মধ্যে দিয়ে দিবসের সূচনা হয়। এসময় ফুল দিয়ে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান জেলা প্রশাসক সুলতানা পারভীন, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মহিবুল ইসলাম খান, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক এমপি মো. জাফর আলী, সাধারণ সম্পাদক আমান উদ্দিন আহমেদ মঞ্জু প্রমুখ।
জয়পুরহাট :জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, সরকারি বিভিন্ন বিভাগ, আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ, বিএনপি, জাসদ, সিপিবি, জাপা, বাসদ ও তাদের অঙ্গসংগঠনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শহিদ ডা. আবুল কাশেম ময়দানে অবস্থিত স্মৃতিসৌধে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন। পরে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাকির হোসেন ও পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সালাম কবির পিপিএম কুচকাওয়াজের সালাম গ্রহণ করেন। এ সময় জয়পুরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট সামছুল আলম দুদু, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আরিফুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
নওগাঁ :শহরের মুক্তির মোড়ে শহিদ মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতিস্তম্ভে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার এমপি, জেলা প্রশাসক হারুন অর রশীদ, পুলিশ সুপার প্রকৌশলী আব্দুল মান্নান মিয়া বিপিএম, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার আফজাল হোসেন প্রমুখ। দুপুরে জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয় থেকে বিজয় মিছিল বের করা হয়।
কাউখালী (পিরোজপুর) : উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে বিজয় দিবসের সূচনা করা হয়। সকাল ৮টায় কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে উপজেলা প্রশাসন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, উপজেলা আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি জেপি, পুলিশ, প্রেসক্লাব, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সরকারি-বেসরকারি, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো পুষ্পস্তবক অর্পণ করে। এরপর কাউখালী সরকারি বালক বিদ্যালয় মাঠে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, কুচকাওয়াজ ও শরীরচর্চা প্রদর্শন হয়। অন্যান্য কর্মসূচির মধ্যে ছিল মুক্তিযোদ্ধা ও শহিদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সংবর্ধনা, চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা, প্রীতি ফুটবল প্রতিযোগিতা, মহিলাদের ক্রীড়া অনুষ্ঠান, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
