বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) ছাত্র মো. আনসার আলীকে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে এক ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে। মেজাজ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে ঐ ঘটনা ঘটেছে বলে জানান অভিযুক্ত ফজলুল হক হল শাখা ছাত্রলীগের সহসম্পাদক মো. শাহ আলম।
ভেটেরিনারি অনুষদের ৪র্থ বর্ষের ও ফজলুল হক হলের আবাসিক শিক্ষার্থী আনসার আলী তার লিখিত অভিযোগে জানান, রবিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের জব্বার মোড়ে কামালের দোকানে চা পান করার সময় হলের সিনিয়র ফজলুল হক হল শাখা ছাত্রলীগের সহসম্পাদক মো. শাহ আলম উপস্থিত হয়। তখন তাকে (শাহ আলম) বসতে বললে তিনি অপমান বোধ করেন এবং আমাকে মেরে ফেলার হুমকি দেন। এরপর বাকৃবি শাখা ছাত্রলীগের সহসম্পাদক মো. মেহেদী হাসান বিপ্লব এলে তার উসকানিতে শাহ আলম দোকানের লাকড়ি এনে আমার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে আমার ডান কাঁধের সংযোগস্থল আলাদা হয়ে যায় এবং মাথা ও কপালে প্রচণ্ড আঘাত পাই।
ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিত্সা গ্রহণ করেছি। আগামী ১৭ তারিখ আমার ফাইনাল পরীক্ষা। এমন অবস্থায় আমি পরীক্ষায়ও বসতে পারব কি না তা নিয়ে শঙ্কায় আছি।
অভিযুক্ত শাহ আলম বলেন, আমার যে বিষয়ে রাগ হয় সে বিষয়টা নিয়ে অনেকদিন ধরে জ্বালাচ্ছিল আনসার। এ রকম করতে বারবার নিষেধ করলেও সে শোনেনি। রবিবার আবার একই কাজ করলে আমি আমার মেজাজ নিয়ন্ত্রণ করতে পারিনি। এতে তার হাত ভেঙে যাবে বুঝতে পারিনি। এটা দুর্ঘটনাবশত হয়ে গেছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আজহারুল হক বলেন, এসব বিষয়কে কোনোভাবেই প্রশ্রয় দেওয়া হবে না। শিগিগরই তদন্ত কমিটি গঠন করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
