‘শব্দদূষণমুক্ত’ সচিবালয় এলাকায় বেজেছে হর্ন

আপডেট : ১৭ ডিসেম্বর ২০১৯, ২১:৪৬

বিশেষ প্রতিনিধি

প্রশাসনের কেন্দ্রবিন্দু বাংলাদেশ সচিবালয়ের আশপাশে ঘোষিত ‘নীরব এলাকা’য় যানবাহনের হর্ন বাজালে সরকারের প্রণীত বিধিমালা অনুযায়ী জেল-জরিমানা শুরু হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার থেকে এ কার্যক্রম শুরু হয়। কিন্তু সচিবালয়ের চারপাশের সড়ক ‘শব্দদূষণমুক্ত’ ঘোষণা করলেও আগের মতোই হর্ন বাজিয়েছেন যানবাহনের চালকরা। শুধু মূল সড়কই নয়, খোদ সচিবালয়ে যেসব সরকারি যানবাহন প্রবেশ করেছে, বের হয়েছে সেসব গাড়ির চালকরাও হর্ন চেপেছেন বারবার। বিষয়টি স্বীকার করেছেন ফটকে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরাও।

এই এলাকা দিয়ে চলাচলকারী চালক ও যাত্রীরা বলছেন, হর্ন বাজানো যে নিষেধ সেটা তাদের জানা নেই। কেউ আবার দুষছেন প্রচারণা না চালানোকে। আবার দুর্ঘটনা যেন না ঘটে সেজন্য বাধ্য হয়ে হর্ন দিতে হয় বলে ভাষ্য অনেক চালকের। আর দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশের সদস্যরা বলছেন, কড়াকড়ি করে খুব বেশি লাভ হবে না। মানুষকে সচেতন হতে হবে, সচেতন করতে হবে। প্রচারণাও বাড়াতে হবে।

হর্ন বাজানোর নিষেধাজ্ঞা কার্যকরের প্রথম দিন গতকাল সকালে সচিবালয়ের গেটে পরিবেশ ও বনমন্ত্রী মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন বলেছেন, সচিবালয়ের চতুর্দিককে শব্দদূষণমুক্ত এলাকা ঘোষণা করা হলো। আজ (মঙ্গলবার) থেকে আইনের বিধান কার্যকর হবে। তবে নীরব এলাকা হিসেবে মন্ত্রী আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরুর খবর দিলেও কয়েকঘণ্টা সচিবালয়ের আশপাশে অবস্থান করে তার কোনো প্রতিফলন দেখা যায়নি বরং নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে হর্ন বাজানো গাড়ির তালিকায় সচিবালয়ে আসা সরকারি গাড়ি, বাস, প্রাইভেটকার, সিএনজিচালিত অটোরিকশা, মোটরসাইকেল সবই রয়েছে।

তবে প্রথম দিন বলে চালকের বিরুদ্ধে আইন প্রয়োগ না করে আইনে থাকা শাস্তির বিষয়ে সতর্ক করছেন ট্রাফিক পুলিশের সদস্যরা। এছাড়া স্কাউটের সদস্যদের গাড়িতে হর্ন না বাজানোর স্টিকার লাগাতে দেখা গেছে।