১১ লাখ টাকার চুক্তিতে কুড়িগ্রামের একটি কলেজে অধ্যক্ষ নিয়োগের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছে খোদ গভর্নিং বডি। আর এ বিষয় নিয়েই শিক্ষক ও কমিটির সদস্যদের মধ্যে চলছে বিরোধ। এভাবে নিয়োগের বিরোধিতা করায় লাঞ্ছিত হয়েছেন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ। শিক্ষকরাও এই নিয়োগের বিরোধিতা করছেন।
সব মিলিয়ে কুড়িগ্রামের নাজিম খান উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজটিতে চলছে অচলাবস্থা। ইতিমধ্যে গভর্নিং বডির সভাপতির বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তুলে কমিটি বাতিলের দাবি জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষকরা। দিনাজপুর শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যানের কাছে এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোস্তাফিজার রহমান।
লিখিত অভিযোগে বলা হয়েছে, একজনকে অধ্যক্ষ নিয়োগ দেওয়ার জন্য সভাপতি প্রকাশ্যে ১১ লাখ টাকার বিষয়টি উল্লেখ করেছেন। এ সময় কয়েকজন এ অনৈতিক কাজের বিরোধিতা করেছেন। তারা বলেছেন, ঘুষ নেওয়া যাবে না, যদি ডোনেশন নেওয়া হয় তা ব্যাংকের মাধ্যমে নিতে হবে। এর আগে প্রতিষ্ঠানের পুরনো ভবনের অবকাঠামো নিলামে বিক্রি করে ২ লাখ ৬৫ হাজার পাওয়া গেলেও প্রতিষ্ঠানের ফান্ডে মাত্র ২ লাখ টাকা দেখানো হয়েছিল। বাকি টাকা গভর্নিং বডির কয়েকজন সদস্য ভাগবাটোয়ারা করে নিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা।
তবে এ বিষয়ে কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি রেদওয়ানুল হক বলেন, শিক্ষাবোর্ডে যে অভিযোগ দেওয়া হয়েছে তা সত্য নয়। যারা অভিযোগ দিয়েছেন তারাই অধ্যক্ষ পদে নিয়োগের জন্য প্রার্থীর কাছ থেকে ৪০ লাখ টাকা আদায়ের জন্য প্রস্তাব করেছেন। ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষই নানা সুবিধা নেওয়ার জন্য নতুন অধ্যক্ষ নিয়োগে বাধা সৃষ্টি করছেন বলে জানান তিনি।
