বড়ো রান তাড়া করে জিতল কুমিল্লা
স্পোর্টস রিপোর্টার
শেষ পর্যন্ত জয়টা এলো ডেভিড মালানের হাত ধরে।
শেষ ৩ ওভারে ৩৫ রান দরকার ছিল। মালানের তাণ্ডবে সে সমীকরণ একেবারে হাতের মুঠোয় চলে এলো। ২ বল হাতে রেখেই জয় পেল কুমিল্লা ওয়ারিয়র্স। ৬ উইকেটে হারাল তারা রংপুর রেঞ্জার্সকে। তবে এই জয়ের ভিতটা গড়ে দিয়ে গিয়েছিলেন সৌম্য সরকার ও সাব্বির রহমান রুম্মন।
আগে ব্যাট করা রংপুর মোহাম্মদ শাহজাদের ব্যাটে ভর করে ৮ উইকেটে ১৮১ রান তুলেছিল। জবাবে ১৯.৪ ওভারে ১৮২ রান করে কুমিল্লা।
সৌম্য ও সাব্বির; দুজনই বাংলাদেশের ক্রিকেটের ভবিষ্যত্ বলে বিবেচিত হতেন এক সময়। বিশেষ করে সীমিত ওভারের ক্রিকেটে তাদের ওপর ছিল অসীম ভরসা। কিন্তু সেভাবে বিকশিত হতে পারেননি এখনো কেউ। সৌম্য তবু স্রোতে আছেন। সাব্বির পথ হারাতে বসেছিলেন।
আগের দুই ম্যাচেও রান পাওয়া সৌম্য গতকাল করেছেন ৩৪ বলে ৪১ রান। আর অনেকদিন পর নিজেকে ফিরে পাওয়া সাব্বির ৪০ বলে ৪৯ রান করেছেন।
আগে ব্যাট করেছে রংপুর। কিছু বুঝে ওঠার আগেই শাহজাদ ভয়াবহ এক ঝড় তোলেন। ৪.২ ওভারে ৪৯ রান ওঠে স্কোর বোর্ডে। এর মধ্যে মাত্র ৮ রান ছিল মোহাম্মদ নাঈমের। এরপর শাহজাদের সঙ্গে যোগ দেন অ্যাবেল। শাহজাদ শেষ পর্যন্ত ২৭ বলে ৭টি চার ও ৪টি ছক্কায় ৬১ রান করে সানজামুল ইসলামের শিকার হন। শাহজাদ আউট হওয়ার পর রংপুরের একক আর কেউ সেভাবে জ্বলে উঠতে পারেনি।
তবে ঐ ইনিংসের ওপর দাঁড়িয়ে কয়েকটা ছোটো ছোটো ইনিংসে বেশ ভালো পুঁজি পায় রংপুর। বিশেষ করে গ্রেগরি ১২ বলে ২১ রানের একটা ইনিংস খেলেন। এ ছাড়া অধিনায়ক মোহাম্মদ নবি ২০ বলে করেন ২৬ রান।
জবাব দিতে নেমে শুরু থেকেই স্বাচ্ছন্দ্য ছিল কুমিল্লা। ভানুকা রাজাপাক্ষে ও সৌম্য সরকার ৬১ রানের উদ্বোধনী জুটি করেন ৬ ওভারে। ১৫ বলে ৩২ রান করে আউট হন রাজাপাক্ষে। এরপর সাব্বিরের সঙ্গে পালটা আক্রমণে যান সৌম্য। তিনি ৩৪ বলে ৫টি চার ও ১টি ছক্কায় ৪১ রান করে ফেরেন। আর সাব্বির ৪০ বলে ৩টি চার ও ২টি ছক্কায় ৪৯ রান করেন।
তবে শেষ করার দায়িত্বটা পড়ে মালানের ওপর। তিনি ২৪ বলে ২টি চার ও ৩টি ছক্কায় ৪২ রান করে আউট হন। সঙ্গে অধিনায়ক দাসুন সানাকা ৭ বলে করেন ১২ রান।
