স্পোর্টস রিপোর্টার
বিভিন্ন সময় জাতীয় দলে বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেছেন। এখনো ক্রিকেটে নানারকম দায়িত্বে আছেন তিনি। কখনো কোচ, কখনো ম্যানেজার, কখনো সহকারী কোচের ভূমিকা পালন করেছেন খালেদ মাহমুদ সুজন। এর মধ্যে গতকালই নিশ্চিত হয়েছে যে, বাংলাদেশের পেস বোলিং কোচ শার্ল ল্যাঙ্গাভেল্ট দায়িত্ব ছেড়ে দিয়েছেন। এরকম অবস্থায় সাবেক জাতীয় দল অধিনায়ক সুজন বলছিলেন, তিনি দায়িত্ব পেলে দীর্ঘমেয়াদে এই দায়িত্ব পালন করতে চান।
ল্যাঙ্গাভেল্টের চলে যাওয়াটা জাতীয় দলের জন্য খুব বড়ো ধাক্কা হবে, এটা মনে করেন না সুজন। তিনি বলছিলেন, ‘খুব যে বড়ো বেশি ধাক্কা, আমি বিশ্বাস করি না। কারণ, আমাদের ছেলেরা অনেক কোচিং পেয়ে গেছে। অনেক কোচদের অধীনে খেলেছে তারা। ল্যাঙ্গাভেল্ট দলের মধ্যে নতুন কিছু নিয়ে এসেছিলেন। সেটা হয়তো এ কয় দিনে ছেলেরা আয়ত্ত করার চেষ্টা করেছে।’
এখন এই ফাকা পড়ে তাকে দায়িত্ব দিলে তিনি দায়িত্ব নিতে রাজি বলে বলছিলেন সাবেক এই পেস বোলিং অলরাউন্ডার, ‘সুযোগ পেলে তো সবাই আগ্রহী হবে। আমার পেশা তো কোচিং, আগ্রহের ব্যাপার অবশ্যই আছে। এর আগেও দুই বার বাংলাদেশের হেড কোচ হিসেবে নিয়োগ পেয়েছি আমি। বলাই ছিল যে, একটা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য। তার পরও ধরুন যখন বাদ পড়ি, রেজাল্ট খারাপ হয়, তখন খারাপ লাগে। আমি এর আগেও বলেছিলাম দীর্ঘমেয়াদের জন্য করলে ভালো হয়। স্বল্পমেয়াদের জন্য একটা সফরে দলটাকে গোছানো কঠিন হয়ে পড়ে।’
সুজন বলছিলেন, তিনি নিজে হোন বা অন্য কেউ, যেই দায়িত্ব পান, যেন দীর্ঘমেয়াদে দায়িত্ব পান, ‘আমি তো সব সময় দীর্ঘমেয়াদি কোচ পছন্দ করি। আমি মনে করি এটার প্রয়োজন আছে। কারণ একটা মানুষের দল গোছাতেও সময় লাগে। নতুন লোকের জন্য হঠাত্ করে এসেই হয় না। যেটা হয় আসলে জাতীয় দলকে দেখেন তার বাইরেও যে আমাদের অনেক খেলোয়াড় আছে, হাই পারফরম্যান্স থেকে অনেক খেলোয়াড় উঠে আসছে আস্তে আস্তে তাদেরকেও দেখার সুযোগ হয়তোবা হয় না। জাতীয় দলে সফর ওরিয়েন্টেড কোচিং হয়। সফর নিয়ে ব্যস্ত থাকে তখন দেখার সুযোগ হয় না। লম্বা সময়ের জন্য হলে তো অবশ্যই ভালো।’
সুজন মনে করেন, বাংলাদেশে যারা আছেন, তাদের থেকে কোচ হিসেবে কোথাও কোথাও দায়িত্ব দেওয়া উচিত, ‘বাংলাদেশে যারা ভালো কোচিং করাচ্ছে এখন তাদের সুযোগ দেওয়া যেতেই পারে। আমি জেমস ফস্টারের কথাই বলি, ২০১৮ সালে খেলা ছাড়লেন তিনি। আর এক বছরের মধ্যেই কিন্তু বিপিএলের হেড কোচ হয়েছেন। সে সুযোগটা কিন্তু আমাদের ছেলেদের নেই। বিসিবির উচিত স্থানীয় কোচদের তুলে এনে কাজের সুযোগ করে দেওয়া, সেটা জাতীয় দল হতে পারে, এইচপিতেও হতে পারে।’
