প্রথম শিরোপার দুয়ারে লিভারপুল

আপডেট : ২০ ডিসেম্বর ২০১৯, ২২:০১

ক্লাব বিশ্বকাপ ফাইনাল

স্পোর্টস ডেস্ক

সুযোগটা ১৪ বছর আগেও পেয়েছিল লিভারপুল। সেবার ফাইনালে ব্রাজিলীয় প্রতিপক্ষ সাও পাওলোর কাছে হেরেই স্বপ্নভঙ্গ হয়েছিল রাফায়েল বেনিতেজের লিভারপুলের। এক যুগেরও কিছু বেশি সময় পর আবারও যখন ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলবে অল রেডরা, ফ্ল্যামেঙ্গোকে হারিয়ে শিরোপাজয়ই লক্ষ্য হবে তাদের। আজ শনিবার কাতারে অনুষ্ঠেয় এই ফাইনালের আগে এমনটাই জানালেন দলটির অধিনায়ক জর্ডান হেন্ডারসন।

ইউরোপসেরা দলটি বিশ্বসেরা হওয়ার লক্ষ্যেই এসেছে কাতারে। সেজন্য টুর্নামেন্টটির স্কোয়াডে প্রথম একাদশ তো বটেই, সাইড বেঞ্চেরও সবাইকে নিয়ে এসেছে তারা। আর ইএফএল কাপের কোয়ার্টার ফাইনালে পাঠিয়েছিল একেবারে আনকোরা এক দলকে। ফলে অ্যাস্টন ভিলার কাছে হেরে সেখান থেকে বিদায় হয় ইউরোপসেরা দলটি।

তবে ক্লাব বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে তাদের শুরুটা খুব একটা ভালো হয়নি। মন্তেরির বিপক্ষে জিততে কোচ য়ুর্গেন ক্লপের শিষ্যদের অপেক্ষা করতে হয়েছিল একেবারে ম্যাচের শেষ পর্যন্ত। রবার্তো ফিরমিনোর গোলে চূড়ান্ত লড়াইয়ে আসার পর প্রতিপক্ষ হিসেবে তারা পেয়েছে ফ্ল্যামেঙ্গোকে।

ফাইনালের আগে দলটির অধিনায়ক জর্ডান হেন্ডারসন জানালেন ক্লাবের ইতিহাসে প্রথম শিরোপা জেতার কৃতিত্বটা এবারই দেখাতে চান। তিনি বলেন, ‘শিরোপা জিততেই এখানে এসেছি আমরা। আমরা জিততে চাই এবং আশা করি সপ্তাহ শেষের ম্যাচটিতে সেটা করে দেখাতে পারব আমরা।’

মন্তেরির বিপক্ষে সেমিফাইনালের পর ফ্ল্যামেঙ্গোকে যথেষ্ট শ্রদ্ধাই করলেন লিভারপুল মিডফিল্ডার। তিনি বলেন, ‘পুরো সপ্তাহে যেমন দেখেছি তাতে মনে হচ্ছে আরেকটা কঠিন প্রতিপক্ষই পেয়েছি। তাই ম্যাচটা কঠিনই হতে যাচ্ছে। তবে আমরা সেরে উঠবো এবং শিরোপার জন্যেই লড়ব।’

ডিফেন্ডার ভার্জিল ফন ডাইক অসুস্থতার জন্য দলে নিই। দেয়ান লভরেন, জোয়েল মাতিপ ও ফাবিনহোদের মতো খেলোয়াড়দেরও চোটের কারণে পাচ্ছে না দল। সেমিফাইনালে তাই মাঝমাঠ ছেড়ে হেন্ডারসনকে রক্ষণে খেলাতে হয়েছিল কোচ ক্লপকে। তবে ইংলিশ এই মিডফিল্ডার জানালেন সেরাটা দেওয়ারই চেষ্টা করেছেন তিনি, ‘এটা ভিন্ন ছিল। আমার আশপাশে দারুণ সব খেলোয়াড় আছে, যারা কাজটা অনেক সহজ করে দিয়েছিল কিন্তু আমি কেবল আমার সামর্থ্যের সেরাটাই দিতে চেয়েছি।’

তিনি আরো যোগ করেন, ‘আমি সেখানে আগে কখনো খেলিনি। আমাদের কাছে বেশির ভাগ সময়ে বলের দখল ছিল এবং রক্ষণাত্মক দিক থেকে এটা ঠিকঠাকই ছিল। কিন্তু রক্ষণরেখা ঠিক রাখা এবং এর সঙ্গে অন্য কাজগুলো বেশ কঠিনই ছিল।’