হকি লিগ নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটেনি

আপডেট : ২০ ডিসেম্বর ২০১৯, ২২:০৩

স্পোর্টস রিপোর্টার

গত ১৪ নভেম্বর হকি ফেডারেশনের নির্বাচন হয়েছিল। সেখানে গঠিত বিভিন্ন সাব কমিটিতে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল তারা যেন নিজ নিজ পরিকল্পনা দেয়। ৩৬ দিন পর গতকাল মিটিং হয়ে গেলেও সেখানে প্রিমিয়ার হকি লিগের সাব কমিটি তাদের পরিকল্পনা জমা দেয়নি বলে জানিয়েছেন ফেডারেশনের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইউসুফ। তিনি বলেন, ‘আমরা সবগুলো সাব কমিটিকে জানিয়েছিলাম তারা যেন তাদের পরিকল্পনাগুলো জমা দেয়। কিন্তু কেউ কেউ পরিকল্পনা জমা দিলেও লিগ কমিটি দেয়নি।’ আগামী ১০ জানুয়ারির মধ্যে সবগুলো কমিটিকে পরিকল্পনা জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

প্রিমিয়ার লিগের শত শত খেলোয়াড় অলস বসে আছেন। খেলা নেই। দুই বছর হতে চলল লিগের দেখা নেই। খেলোয়াড়রা অপেক্ষায় রয়েছেন কবে খেলা হবে। গতকালকের সভার দিকে তাকিয়ে ছিলেন খেলোয়াড়রা। কিন্তু এই সভা খেলোয়াড়দের জন্য কোনো সুখবর দিতে পারেনি। কবে হবে লিগ সেটা পরিষ্কার করে বলতেও পারেননি ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক। প্রিমিয়ার লিগ নিয়ে প্রশ্ন করলে ইউসুফ বলেন, ‘আমাদের একটা বর্ষপঞ্জি হয়েছে। সেখানে লিগ আছে।’ কবে হবে লিগ? জানতে চাইলে ইউসুফ বললেন, ‘স্কুল হকির আয়োজন চূড়ান্ত হয়েছে। ২৫ জানুয়ারি বিভাগীয় শহরে স্কুল হকি শুরু হবে। শহিদ স্মৃতি হকি হবে, মহিলা হকি টুর্নামেন্ট হবে, জাতীয় যুব হকি হবে, জাতীয় হকি গোল্ডকাপ টুর্নামেন্ট হবে। ৪-১২ জুন অনূর্ধ্ব-২১ আন্তর্জাতিক হকি টুর্নামেন্ট হবে।’ লিগ কবে হবে? হকি ফেডারেশনের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে যে টুর্নামেন্ট হবে তারপরই লিগ শুরু করব। এর আগেই প্রস্তুতি সেরে রাখব।’ লিগ নিয়ে খুব একটা আলোচনা হয়নি কালকের সভায়। বঙ্গবন্ধু জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বিমানবাহিনীর শাহীন হলে। কারণ লিগ কমিটি তাদের পরিকল্পনা দেয়নি। দেওয়া হলে সেটা নিয়ে আলোচনা হবে। হকি ফেডারেশন জানিয়েছে তারা ক্লাবগুলোর সঙ্গে কথা বলবে। জুন অথবা জুলাইয়ে লিগ আয়োজন করার ভাবনা। ক্লাবগুলোকে চিঠি দেবে। তার আগে কথা বলবে ক্লাবগুলোর সঙ্গে। কালকের সভায় এটা নিশ্চিত হয়ে গেছে আগামী ছয় মাসেও প্রিমিয়ার লিগ হচ্ছে না। খেলোয়াড়রা আরো ছয় মাস বসে থাকবেন। হকি ফেডারেশনের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ খুব আত্মবিশ্বাসী। বললেন, ‘আমি দায়িত্বে আছি। আমি চাই বর্ষপঞ্জির ৮০ থেকে ৯০ ভাগ খেলা যেন বাস্তবায়ন হয়।’