ঢাকা ফার্স্ট ডিভিশন উইমেনস ক্রিকেট লিগ ২০১৯-২০২০ আসন্ন। কিন্তু দলবদলের মাধ্যমে আমাদের ক্লাবকে অন্যায়ভাবে খেলতে দেওয়া হচ্ছে না। ক্রিকেট বোর্ডের নিয়ম অনুযায়ী নিবন্ধিত প্রত্যেক ক্লাবকে ই-মেইলে জানিয়ে দেওয়া হয় যে সেই ক্লাব খেলতে পারবে কি পারবে না। কিন্তু ক্রিকেট বোর্ড থেকে বেগম আনোয়ারা স্পোর্টিং ক্লাবকে এ পর্যন্ত কোনো ই-মেইল দেওয়া হয়নি। তবে নারী ক্রিকেট দলের জনৈক কর্মকর্তা বিনা নোটিশে শুধু মৌখিকভাবে আমাদের জানিয়ে দিয়েছেন যে আমরা খেলতে পারব না। অথচ গতবার অনুষ্ঠিত ঢাকা ফার্স্ট ডিভিশন উইমেন্স ক্রিকেট লিগ ২০১৮-১৯-এ আমাদের ক্লাবের পয়েন্ট ছিল ৪। যেখানে ২ পয়েন্ট নিয়েও অন্য ক্লাব এবারের টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করছে, সেখানে আমাদের অনুমতি দেওয়া হবে না কেন? কোনো ক্লাব অন্যায় করলে ক্রিকেট বোর্ড সেই ক্লাবকে জরিমানা করতে পারে, কিন্তু খেলতে দেওয়া যাবে না কেন? বিষয়টিতে আমাদের অনেক ক্রিকেটারের ভবিষ্যত্ জড়িত। এ বছর আমাদের ক্লাব খেলতে না পারলে আমাদের মহাসর্বনাশ হবে। ক্লাবের পাঁচ লক্ষাধিক টাকার আর্থিক ক্ষতি হবে। তবে ক্রিকেটারদের ক্যারিয়ারের যে ক্ষতি হবে তা কখনো পুষিয়ে নেওয়া যাবে না। আবার ক্লাবের যে সুনাম নষ্ট হবে তাও হবে অপূরণীয়।
এখানে উল্লেখ না করলেই নয় যে, নারী ক্রিকেট দলের সেই জনৈক কর্মকর্তা আমার ক্লাবটি তাঁর কাছে বিক্রির প্রস্তাব দেন। কিন্তু আমরা এতে রাজি না হওয়ায় কি প্রতিহিংসাবশত এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে? এখানে অভিযোগ তোলা হচ্ছে যে, এনওসি ছাড়া একজন খেলোয়াড় আমাদের ক্লাবে খেলেছিল। তবে এটা কোনো যুক্তিসঙ্গত অভিযোগ নয়। কেননা মিরপুর প্রমিলা ক্রিকেট ক্লাব এমনই একটি অভিযোগ এনেছিল ইন্দিরা রোড ক্রিকেট একাডেমির বিরুদ্ধে। একটি খেলায় ইন্দিরা রোড ক্রিকেট একাডেমির তিনজন খেলোয়াড় নিবন্ধন ব্যতীত খেলেছিল। এই অভিযোগ দায়ের করা হলেও উইমেন্স উইং তখন এ বিষয়টি আমলে নেননি। বাইলজ সবার জন্যই সমান। তাহলে আমাদের ক্লাব কেন খেলতে পারবে না? অতএব, বিষয়টি গভীরভাবে তদন্ত করে দেখা হোক এবং শেষ মুহূর্তে হলেও আমাদের ক্লাবকে খেলার সুযোগ দেওয়া হোক।
মনিরুজ্জামান
সাধারণ সম্পাদক,
বেগম আনোয়ারা স্পোর্টিং ক্লাব,
বাড়ি-৫, সড়ক-৮, মোহাম্মদপুর, ঢাকা
