অমিত শাহর তথ্য মিথ্যা --------মির্জা ফখরুল

আপডেট : ২২ ডিসেম্বর ২০১৯, ২২:২৮

ভারতের নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল আলোচনায় সে দেশের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ দেশটির পার্লামেন্টে বাংলাদেশ নিয়ে মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন তথ্য উপস্থাপন করেছেন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ তার বক্তব্যের একপর্যায়ে আমাদের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকারের নাম উচ্চারণ করে শিষ্টাচারবহির্ভূতভাবে সরাসরি অভিযোগ করে বলেছেন, বিএনপি ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় বাংলাদেশে ব্যাপক হারে সংখ্যালঘু নির্যাতন হয়েছে। নির্যাতনের শিকার সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায় ভারতে পালিয়ে এসেছে।                এর মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলকে সাম্প্রদায়িক নিপীড়নকারী দল হিসেবে চিহ্নিত করার অপচেষ্টা চালিয়েছেন। অথচ বিএনপি সরকারের সময় বরাবরই বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সম্পীতি অক্ষুণ্ন ছিল।

গতকাল রবিবার বেলা ৩টায় গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে স্থায়ী কমিটির সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল এসব বলেন। সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন—স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশারফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বেগম  সেলিমা রহমান ও ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।

মির্জা ফখরুল বলেন, হিন্দুত্ববাদী ভারত প্রতিষ্ঠার রাজনৈতিক উদ্দেশ্য চরিতার্থ করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ও বিএনপির কাঁধে বন্দুক রেখে মিথ্যাচারের মাধ্যমে এ অঞ্চলের রাজনীতিকে একটি অসুস্থ পরিবেশের দিকে ঠেলে দিয়েছে। বিএনপির মতো এ দেশের একটি অতি জনপ্রিয় রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে বিষোদ্গার করছে। বিএনপি মহাসচিব আরো বলেন, জিয়াউর রহমান থেকে শুরু করে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি সরকারের সময় বরাবরই বাংলাদেশে সামপ্রদায়িক সম্প্রীতি অক্ষুণ্ন ছিল। এমনকি বাবরি মসজিদ সংকট এবং গুজরাট-দাঙ্গার সময়ও খালেদা জিয়ার আমলে বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় ছিল। সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি মহাসচিব ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ডাকসুর ভিপি নুরুল হক নুরের ওপর ছাত্রলীগ ও মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের নেতাকর্মীদের হামলার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।