বেসিক ব্যাংকের নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে তদন্তের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন দায়ের করা হয়েছে। এ বিষয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত দুটি প্রতিবেদন যুক্ত করে এ আবেদন করা হয়। বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি সরদার মো. রাশেদ জাহাঙ্গীরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের অবকাশকালীন ডিভিশন বেঞ্চে চলতি সপ্তাহে এ আবেদনের ওপর শুনানি হতে পারে।
গত ২৯ নভেম্বর ‘যেমন খুশি তেমন নিয়োগ বেসিক ব্যাংকে’ শীর্ষক শিরোনামে একটি প্রতিবেদন জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত হয়। ঐদিন একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলেও প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়। ঐ প্রতিবেদনে বলা হয়, বেসিক ব্যাংকে নিয়োগের ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতা, বয়স, লিখিত-মৌখিক পরীক্ষা, নিয়োগ-সংক্রান্ত বিধি-বিধান কোনো কিছুই মানা হয়নি। রাষ্ট্রায়ত্ত এ ব্যাংকে স্থান হয়নি যোগ্য-মেধাবীদের। দুর্নীতি-অনিয়ম করে খেয়াল খুশিমতো নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, যা অকল্পনীয়।
ক্ষমতার চূড়ান্ত অপব্যবহার, নজিরবিহীন অনিয়ম-দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতি করে শেখ আব্দুল হাই বাচ্চু বেসিক ব্যাংকের চেয়ারম্যানের দায়িত্বে থাকার সময় ১ হাজার ১৭৩ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, যার প্রমাণ উঠে এসেছে কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেলের (সিএজি) নিরীক্ষা প্রতিবেদনে। সেখানে এই নিয়োগ-দুর্নীতির ঘটনাকে ‘নজিরবিহীন’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। বেতন-ভাতার নামে বাড়তি অর্থ আত্মসাতের প্রমাণাদিও তুলে ধরা হয়েছে প্রতিবেদনে। এই প্রতিবেদন যুক্ত করে হাইকোর্টে রিট করেন আইনজীবী তাইতাস হিল্লোল রেমা। রিট আবেদনে সিএজির রিপোর্ট তলবের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।
