ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে অগ্রগ্রামী ভূমিকা রেখে সমিতির কার্যক্রম সারাদেশে ছড়িয়ে দেওয়ার প্রত্যাশা নিয়ে বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি (বিসিএস)-এর ২৮তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার রাজধানীর বিজয় সরণির থাই চি রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড কেফেতে বার্ষিক সাধারণ সভায় ২০১৯ সালের কার্যক্রম ও আর্থিক বিবরণী পেশ করার পাশাপাশি আগামী বছরের জন্য কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়।
বিসিএস সভাপতি মো. শাহিদ-উল-মুনীরের সভাপতিত্বে সভায় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য সহসভাপতি ইউসুফ আলী শামীম, মহাসচিব মোশারফ হোসেন সুমন, কোষাধ্যক্ষ মো. জাবেদুর রহমান শাহীন, পরিচালক ইঞ্জি. সুব্রত সরকার, মোস্তাফিজুর রহমান তুহীন এবং আছাব উল্লাহ খান জুয়েলসহ সংগঠনের সাধারণ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
আলোচ্যসূচি অনুসারে ২৭তম বার্ষিক সাধারণ সভার কার্যবিবরণী সভায় উপস্থাপন করেন বিসিএস সভাপতি। কণ্ঠভোটে কার্যবিবরণী অনুমোদন করেন উপস্থিত সদস্যরা। সভাপতির সম্মতিক্রমে মহাসচিব মোশারফ হোসেন সুমন ২০১৯ সালের কর্মকাণ্ডের বিবরণী এবং কোষাধ্যক্ষ মো. জাবেদুর রহমান শাহীন ২০১৮-১৯ অর্থবছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পেশ করেন। ২০১৯ সালের কার্যক্রম, নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং আগামী অর্থ বছরের জন্য সমিতির বাজেটের ওপর সভায় উপস্থিত সদস্যরা তাদের মতামত প্রদান করেন। সভায় বিস্তারিত আলোচনা ও মতামতের আলোকে ২০১৯ সালের কার্যক্রম, নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং আগামী অর্থ বছরের জন্য সমিতির বাজেট অনুমোদিত হয়।
বিসিএস সভাপতি মো. শাহিদ-উল-মুনীর বলেন, বিসিএস তথ্যপ্রযুক্তিতে নেতৃত্ব দেওয়া দেশের সর্ববৃহত্ সংগঠন। এরই মধ্যে আমরা সরকারের সঙ্গে একযোগে সফল ডিজিটাল ডিভাইস অ্যান্ড ইনোভেশন এক্সপো ২০১৯ সম্পন্ন করেছি। তবে আমরা শুধু রাজধানীতে এই প্রদর্শনীর আয়োজন করে দায়িত্ব শেষ করিনি। বিসিএসের উদ্যোগে ২০২০ সালে আমরা বিসিএসের সব শাখায় এই প্রদর্শনীর কার্যক্রম অব্যাহত রাখব। শহর বা গ্রাম সবখানেই তরুণরা যেন তথ্যপ্রযুক্তির সুফল ভোগ করতে পারে তার জন্য আমরা প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছি।
