‘ইত্তেফাক’-এ সঙ্গে এদেশের মানুষের সম্পর্কটা বেশ পুরোনো। পরিবারের মতো। সিনেমাপ্রেমীদের কাছে ‘ইত্তেফাক’ ছিল সবার আগে। ছাত্রজীবন ও ক্যারিয়ারের শুরুর সময়টা আরো বেশি করে মনে পড়ে। ‘ইত্তেফাক’কে পাতাজুড়ে সিনেমার খবর ও বিজ্ঞাপন ছাপা হতো। সিনেমার খবর একটি পত্রিকা যে কতটা যত্ন করে ছাপা হয়, সেটির উদাহরণ এই পত্রিকা। আমার ক্যারিয়ারে অনেক স্মৃতি ‘ইত্তেফাক’কে ঘিরে। শুরু থেকে আজ পর্যন্ত এই পত্রিকার কোনো সংবাদের কারণে বিব্রত হতে হয়নি। কখনো অভিযোগ করার মতোও কিছু ঘটেনি। আরেকটি বিষয় চিন্তা করি এখন।
এখন তো অনেক পত্রিকা আর অনলাইন। কোনো পত্রিকায় খবর এলো, সেই খবর এখন নেওয়া কঠিন কাজ। কেউ যখন দেখে বলে বা ইনবক্সে আসে, তখন জানতে পারি। কিন্তু ‘ইত্তেফাক’-এর সঙ্গে অভিজ্ঞতাটা ভিন্ন। এখন পর্যন্ত আমি ‘ইত্তেফাক’-এর ‘বিনোদন প্রতিদিন’-এর নিয়মিত পাঠক। যদিও এখন সব অনলাইন হয়ে যাওয়ায় পত্রিকাটাও অনলাইনেই বেশি সময় পড়া হয়। ৬৭ বছরে পা দিল পত্রিকাটি। শুধু দেশের নয়, পুরো বিশ্বের ইতিহাসে এটি উল্লেখযোগ্য একটি বিষয়। অনেক শুভ কামনা ও ভালোবাসা প্রিয় ‘ইত্তেফাক’কে। সময়ের সঙ্গে আরো তরুণ হচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। এভাবেই এগিয়ে যাক আরো অনেক বছর। শততম বর্ষ পেরিয়ে আরো উজ্জীবিত হোক ‘ইত্তেফাক’।
[ চিত্রনায়ক ]
