ঢাকার অদূরে সাভারের ডেইরি ফার্ম হাই স্কুলে প্রায় দুই বছর ধরে প্রধানশিক্ষক নেই। প্রধানশিক্ষক না থাকলে ভারপ্রাপ্ত প্রধানশিক্ষকের দায়িত্ব পালন করেন সহকারী প্রধানশিক্ষক। কিন্তু স্কুলটির সহকারী প্রধানশিক্ষক দেড় বছর আগে অবসরে যাওয়ার পর নতুন করে কাউকে নিয়োগ দেওয়া হয়নি। কাগজে-কলমে একজন প্রধানশিক্ষক থাকলেও তিনি একটি হত্যা মামলার আসামি। মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নাকি নতুন করে প্রধানশিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে না। সহকারী প্রধানশিক্ষক পদে দুই দফা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হলেও এখনো কাউকে নিয়োগ করা হয়নি। ধর্মীয় শিক্ষকের পদও শূন্য দীর্ঘদিন ধরে। এদিকে বিদ্যালয়টির শীর্ষ দুই পদে শিক্ষক না থাকায় ঢিমে তালে চলছে পাঠদান। প্রশাসনিক কার্যক্রম ভেঙে পড়েছে অনেক আগেই। খণ্ডকালীন শিক্ষকগণ সরকারিভাবে বেতন পান না। তাঁদের বেতনের টাকার জোগান দিতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ভর্তি ফি, টিউশন ফি, সেশন ফির নামে হাজার হাজার টাকা আদায় করা হয়! কিন্তু ডেইরি ফার্ম হাই স্কুল তো এমপিওভুক্ত। শিক্ষকরা সরকারিভাবে বেতনভাতা পান। তাহলে ছাত্রদের তা জোগাতে হবে কেন? স্কুলটি পশুসম্পদ বিভাগের নিজস্ব জমিতে স্থাপিত ও পশুসম্পদ বিভাগের সরাসরি তত্ত্বাবধানে পরিচালিত। অন্য প্রাইভেট স্কুলের মতো ভাড়া দিতে হয় না। এমপিওভুক্ত স্কুল হলেও ষষ্ঠ শ্রেণিতে ৩০০, সপ্তম শ্রেণিতে ৩১০, অষ্টম শ্রেণিতে ৩৭০, নবম শ্রেণিতে ৪২০ এবং দশম শ্রেণিতে ৪৫০ টাকা বেতন নেওয়া হয়। সেশন ফি যথাক্রমে ১৬০০, ১৯০০, ২১০০, ২২৫০০ এবং ২৩০০ টাকা। পরিশেষে, সমস্ত শূন্যপদে দ্রুত শিক্ষক নিয়োগ এবং শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বেতন আদায় বন্ধ করার জন্য সবিনয় আবেদন জানাচ্ছি।
ওমর আলী
৩৫৩ ডিআইটি রোড, রামপুরা, ঢাকা
