নান্দাইলের ব্যবসায়ী পল্টন হত্যা মামলায় ১০ জনের মৃত্যুদণ্ড

আপডেট : ২৫ ডিসেম্বর ২০১৯, ০০:৪২

ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার শিয়ালধরা বাজারের ওষুধ ব্যবসায়ী মাজহারুল ইসলাম ওরফে পল্টন হত্যা মামলায় ১০ জনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে ট্রাইব্যুনাল। মামলার অপর সাত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদেরকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামান এ রায় ঘোষণা করেন।

রায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—একলাছ উদ্দিন ওরফে জুয়েল, আবুল কাশেম ওরফে বাচ্চু মেম্বার, কবির মিয়া, আবুল কাশেম, বাদল মিয়া, ফারুক মিয়া, রুমা আক্তার, আবুল কালাম আজাদ ওরফে পিনু ডাক্তার, চন্দন, শুক্কুর আলী ওরফে আশ্রাফ আলী। এদের মধ্যে ফারুক মিয়া ও রুমা আক্তার পলাতক। খালাস পেয়েছেন আফতাব উদ্দিন ওরফে আক্রাম আলী, বদরুল আলম ওরফে বদরুল, ইসমাইল হোসেন, কাজল মিয়া, রফিক, আবু সিদ্দিক ও দুলাল। চার্জশিটে নাম থাকলেও মারা যাওয়ায় জব্বর মোহরীকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

এদিকে নান্দাইল (ময়মনসিংহ) সংবাদদাতা জানান, ২০০৭ সালে যৌনকর্মীর পারিশ্রমিক পরিশোধ নিয়ে দ্বন্দ্বকে কেন্দ্র করে নান্দাইলের ওষুধের ব্যবসায়ী মাজহারুলকে তার ওষুধের দোকানে মাথা ও কপালে আঘাত করে খুন করা হয়।  রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. আবু আব্দুল্লাহ ভূঞা জানান, আসামিদের মধ্যে রুমা আক্তার ও ফারুক আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে বলেছেন, রুমা আক্তার একজন যৌনকর্মী। মাজহারুল ইসলাম পল্টনের ওষুধের দোকানে আসামিদের কয়েকজন রুমার সঙ্গে যৌনকর্মে লিপ্ত হন। পরে ঐ ব্যক্তিরা তাকে পারিশ্রমিক না দেওয়ায় পল্টনকে সেই টাকা দিতে চাপ দেন রুমা। কিন্তু পল্টন তা দিতে অস্বীকৃতি জানালে বাগিবতণ্ডার এক পর্যায়ে আসামিরা পল্টনকে মারপিট করে হত্যা করে। হত্যার পর দোকানের ভেতরে বাশের খুঁটির সঙ্গে গামছা দিয়ে মরদেহ বেঁধে রেখে দোকানে তালা দিয়ে যায় খুনিরা। এ ঘটনায় মাজহারুলের বোন বিউটি আক্তার বাদী হয়ে নান্দাইল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটি তদন্ত করে ২০০৮ সালের ৩১ জানুয়ারি ১৮ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নান্দাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জসিম উদ্দিন।

মহান বিজয়ের মাস উপলক্ষ্যে মাসিক ম্যাগাজিন ‘এডুকেশন ওয়াচ’-এর উদ্যোগে ও রাজধানীর ফার্মগেট আইডিয়াল কমার্স কলেজের সহযোগিতায় কলেজ ক্যাম্পাসে ঢাকার স্কুল ও কলেজের পরীক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে বাংলাদেশের ২য় ইতিহাস উত্সব গতকাল অনুষ্ঠিত হয়েছে। এডুকেশন ওয়াচ সম্পাদক মো. খলিলুর রহমানের উপস্থাপনায় ও আইডিয়াল কমার্স কলেজের সভাপতি ড. এম এ হালিম পাটোয়ারীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন ইতিহাসবিদ সিরাজ উদ্দিন আহমেদ