দৈনন্দিন কর্মব্যস্ত জীবনে বাড়তি কাজের চাপ সামাল দিতে গিয়ে অনেকেই হয়ে পড়েন ক্লান্ত। ক্লান্তি এড়িয়ে কাজে মনোনিবেশ করা হয়ে পড়ে দুঃসাধ্য। ফলে মানসিক চাপ বেড়ে যায় অনেকগুণ। তাই কর্মব্যস্ত জীবনে চাপ সামলে আপনি যেন ক্লান্ত না হয়ে পড়েন সেজন্য মেনে চলতে হবে কিছু নিয়ম:
সঠিক খাদ্যাভ্যাস : ক্লান্তি এড়াতে সুষম খাদ্যাভ্যাস অত্যন্ত জরুরি। এর মধ্যে সকালের পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ ক্লান্তি দূর করতে দারুণ কার্যকর। তাই কখনোই সকালের নাস্তা বাদ দেওয়া উচিত্ নয়। আমরা অনেকেই ডায়েটের নামে খাদ্যতালিকা থেকে কার্বোহাইড্রেট একেবারে বাদ দিয়ে দেই যা একদম উচিত্ নয়। কার্বোহাইড্রেট শক্তির ভালো উত্স। তাই প্রতিদিনের খাদ্যতালিকা হতে হবে সুষম এবং পুষ্টিকর।
নিয়মিত শরীরচর্চা : সকালে ঘুম থেকে উঠে কিংবা বিকেলে অফিসের পর একটুখানি ব্যায়াম কিংবা জগিং ক্লান্তি দূর করতে পারে জাদুর মত।
অবসর : যত ব্যস্ততাই থাকুক না কেন দিনে কিংবা সপ্তাহের একটি নির্দিষ্ট সময় অবসর কাটানো খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অবসরে নিজের পছন্দের কাজগুলো যেমন: বই পড়া, গান শুনা, বাগান পরিচর্যা কিংবা ঘুরে বেড়ানো ইত্যাদি করা যেতে পারে। এতে একঘেয়েমি জীবনের ক্লান্তি কেটে যাবে অনেকটা।
পরিপূর্ণ ঘুম : ক্লান্তি এড়াতে প্রতিদিন ছয় থেকে আট ঘণ্টা ঘুম অবশ্যই প্রয়োজন। এর বেশি বা কম হলে ক্লান্ত লাগতে পারে সারাদিন।
অনেক সময় পানিশূন্যতার কারণেও ক্লান্তি লাগতে পারে। তাই প্রতিদিন আট থেকে দশ গ্লাস পানি খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। এছাড়া ডায়াবেটিস, থাইরয়েডজনিত সমস্যা, ভিটামিন ডি এর অভাব ইত্যাদি কারণেও আপনি সহজেই ক্লান্ত হয়ে যেতে পারেন। এসব ক্ষেত্রে চিকিত্সকের সরণাপন্ন হওয়া প্রয়োজন।
লেখক: চর্ম ও যৌনরোগ বিশেষজ্ঞ
