‘তার স্বপ্নের চারণভূমি

আপডেট : ২৭ ডিসেম্বর ২০১৯, ২২:১৩

নাসির আলী মামুনের সংগৃহীত বিখ্যাত

শিল্পীদের চিত্র প্রদর্শনী

ইত্তেফাক রিপোর্ট

শুরু হলো প্রখ্যাত আলোকচিত্রী নাসির আলী মামুনের সংগ্রহ থেকে প্রদর্শনী ‘তার স্বপ্নের চারণভূমি’। গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় গ্যালারি শিল্পাঙ্গনে এই প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন বিশিষ্ট ভাস্কর ও চিত্রশিল্পী হামিদুজ্জামান খান। এ সময় আরো বক্তব্য রাখেন লেখক সমালোচক মঈনুদ্দীন খালেদ ও আলোকচিত্রী শিল্পী নাসির আলী মামুন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাংবাদিক রুমী নোমান। প্রদর্শনী চলবে পক্ষকালব্যাপী। প্রদর্শনীতে ১১০টি চিত্রকর্ম স্থান পেয়েছে।  ‘তার স্বপ্নের চারণভূমি’ প্রদর্শনীতে বরেণ্য চিত্রশিল্পী কামরুল হাসান, এস এম সুলতান, আমীনুল ইসলাম, মুর্তজা বশীর, আব্দুর রাজ্জাক, কাইয়ূম চৌধুরী, সৈয়দ জাহাঙ্গীর, রফিকুন নবী, মনিরুল ইসলাম, শাহাবুদ্দিন এবং ভারতের পরিতোষ সেন, গণেষ পাইন, যোগেন চৌধুরী, কে জি সুব্রা মানিয়ানসহ দুই দেশের খ্যাতিমান শিল্পীদের চিত্রকর্ম রয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শিল্পী মনিরুল ইসলাম বলেন, দেশে সহজে রাস্তা নির্মাণ করে খ্যাতি পাওয়া খুব অসম্ভব। জীবিত থাকতে কারো কাজকে স্বীকৃতি আমরা দেই না। এটা আমাদের স্বভাব। এই প্রবণতার মধ্যেও আমি বেশ অবাক হই, নাসির আলী মামুন তার স্বীকৃতি পেয়েছে। কিন্তু আমরা তাকে পুরস্কৃত করতে পারিনি। তবুও সে যেভাবে আমাদের সমাজে একজন অসামান্য আলোকচিত্রী শিল্পী হিসেবে সমীহ পেয়েছে, এটা আর কোনো আলোকচিত্রীর ভাগ্যে জুটেছে বলে মনে হয় না আমার। এখন তার ক্যামেরা এক ইতিহাস যন্ত্র।

আলোকচিত্রী শিল্পী নাসির আলী মামুন বলেন, ১৯৭১ সালের ১৮ ডিসেম্বর থেকে আমার ফটোগ্রাফি শুরু। আমার সঙ্গে থাকে একটি ব্যাগ, ক্যামেরা, একটি নোটবুক, কলম। আমি প্রথম যে তিন জনের অটোগ্রাফ সংগ্রহ করি, তারা কেউ ইতিহাসে নেই। আমি কোথাও গেলে একেবারে চলে আসি না, একটা চারা রোপণ করে আসি। গত ৪০ বছর ধরে এই কাজ করছি। এটা আমার নেশা। আমি একটা প্রদর্শনীতে বার বার যাই। ছবিগুলো বার বার দেখি, বোঝার চেষ্টা করি। কদিন আগে একটা প্রদর্শনীতে আমি ছয় বার গিয়েছি। আমার কাজের জন্য আমি সবচেয়ে বেশি ঋণী কবি ও শিল্পীদের কাছে। আমার সংগ্রহশালা থেকে একটা ফটো জাদুঘর করতে চাই। আর তার নাম দিতে চাই ‘ফটোজিয়াম’।