লোহাগড়ায় কিশোরীকে গণধর্ষণ, একজন গ্রেফতার

আপডেট : ২৮ ডিসেম্বর ২০১৯, ১৮:২৯

নড়াইলের লোহাগড়ায় এক কিশোরীকে (১৩) গণধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে। এ ঘটনায় কিশোরীর চাচা বাদী হয়ে চারজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ মামলার ১নং আসামি মুরছালিন মৃধাকে গ্রেফতার করেছে। শনিবার নড়াইল সদর হাসপাতালে ওই কিশোরীর ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। গত মঙ্গলবার রাতে (২৪ ডিসেম্বর) এ গণধর্ষণের ঘটনা ঘটে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, লোহাগড়ার জয়পুর ইউনিয়নের আড়িয়ারা গ্রামের লাজুক মৃধার ছেলে মুরছালিন মৃধা (১৯) একই এলাকার ওই কিশোরীর সঙ্গে প্রেমের ছলনা করে আসছিল। গত মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় কিশোরীর পিতার বাড়ি থেকে মুরছালিন ফুসলিয়ে ওই কিশোরীকে নিয়ে যায়। ওই মঙ্গলবার রাতেই চাচই-ধানাইড় গ্রামে মজিবর এর ইটভাটার ইটকাটা শ্রমিক মিন্টুর ঘুমানোর কক্ষে নিয়ে আড়িয়ারা গ্রামের লাজুক মৃধার ছেলে  মুরছালিন মৃধা (১৯), খায়ের শেখের ছেলে নাছির শেখ (২০), জাকারিয়া মোল্যার ছেলে এনামুল মোল্যা (২২), আজিম খানের ছেলে রাসেল খান (১৯) পালাক্রমে কিশোরীকে রাতভর ধর্ষণ করে। 

গত বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) ভোর ৬টার দিকে ওই ইটভাটার কাছে কিশোরীকে রক্তাক্ত ও অচেতন অবস্থায় ফেলে রেখে ধর্ষকরা পালিয়ে যায়। পরে চেতনা ফিরে এলে ওই কিশোরী তার এক আত্মীয় বাড়িতে গিয়ে ঘটনা খুলে বলে। ওই আত্মীয় বাড়িতে গিয়ে ওই কিশোরীর বাব-মা ঘটনা জানতে পারে।

পরবর্তীতে প্রতিবেশী মুরাদ শেখ গত শুক্রবার (২৭ ডিসেম্বর) সকালে ৯৯৯ নাম্বারে ফোন করে ঘটনা জানালে লোহাগড়া থানা থেকে ওই কিশোরীকে থানায় নিয়ে আসার জন্য পরামর্শ দেওয়া হয়। শুক্রবার ওই কিশোরীকে থানায় এনে তার চাচা বাদী হয়ে ওই চারজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। মামলা নং-১৯।

আরও পড়ুন: অতি দরিদ্রদের চাল মহাজনের ঘরে মজুদ, কোনও ব্যবস্থা নেয়নি কর্তৃপক্ষ

লোহাগড়া থানার ওসি (তদন্ত) আমানুল্লাহ আল-বারী জানান, শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) ভোরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে মামলার ১নং আসামিকে গ্রেফতার করেছে। তাকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

ইত্তেফাক/নূহু