বিধবাদের যত বঞ্চনা

আপডেট : ২৮ ডিসেম্বর ২০১৯, ২৩:০০

সরকার শতভাগ পেনশন সমর্পণকারীদের অবসরের ১৫ বছর পর পেনশনে ফিরিয়ে তাঁদের প্রতি উদারতা দেখিয়েছেন নিঃসন্দেহে। কিন্তু তাঁদেরই বিধবারা এখনো পদে পদে অবহেলিত, বঞ্চিত। কারণ:

১) ২০১৬-এর ফেব্রুয়ারি থেকে তাঁদের মাসিক চিকিত্সা ও উত্সব ভাতা দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু উত্সবভাতায় বার্ষিক ৫% হারে ইনক্রিমেন্ট দেওয়া হচ্ছে না। অনেকক্ষেত্রে উত্সবভাতা নির্ধারণ করা হচ্ছে স্বামীর পরিবর্তে স্ত্রীর বয়সের ভিত্তিতে। যদিও স্বামীর চাকরি, বেতন ও বয়সই এই ভাতার মূল উত্স। এ বিষয়ে হিসাব মহানিয়ন্ত্রক অথবা অর্থ মন্ত্রণালয়ের সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা বা নির্দেশনা প্রয়োজন।

২) অন্যেরা বাংলা নববর্ষভাতা পেলেও তাঁরা পাচ্ছেন না।

৩) স্বামী পেনশনে পুনঃস্থাপনের যোগ্যতা অর্জন করে পুনঃস্থাপনের আগেই মারা গেছেন। তাই স্বামীর ও নিজের পেনশন কোনোটাই পাচ্ছেন না।

৪) স্বামী অবসরের পর মারা গেছেন। তাঁর স্ত্রী স্বামীর অবসরের ১৫ বছর পর জীবিত আছেন। কিন্তু তাঁর পেনশনের কোনো খবর নেই।

উল্লেখ করা প্রয়োজন যে, পেনশনে পুনঃস্থাপনের পর মৃতদের বিধবাদেরও পেনশন দেওয়া হচ্ছিল না, যা হিসাব মহানিয়ন্ত্রকের সুপারিশে সম্প্রতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। একইভাবে বর্ণিত বিষয়গুলির প্রতি সরকার নজর দিলে বিধবারা আর্থিক নিরাপত্তা পেতে পারেন।

ওয়াহিদুল ইসলাম আখন্দ

৫৭০/১-বি, সেনপাড়া-পর্বতা, ঢাকা ১২১৬