তানোরে বেদখল ৯৮০ খাস পুকুরের মধ্যে ২৩৭টির ইজারা দেওয়া সম্পন্ন

আপডেট : ২৯ ডিসেম্বর ২০১৯, ২১:৫২

তানোরে বেদখল হওয়া ৯৮০টি খাস পুকুরের মধ্যে ২৩৭টির ইজারা দেওয়া সম্পন্ন হয়েছে। ২০০৯ সালের জলমহাল ব্যবস্থাপনা নীতিমালা অনুযায়ী মত্স্যজীবীদের ইজারা দেওয়ার কথা থাকলেও পুকুরগুলো বেদখল ছিল। উপজেলা ভূমি অফিসের নাজির শাহীনুর রহমান জানান, ২০০৯ সালের পর থেকে সরকার পুকুরগুলোর প্রায় ৫০ কোটি টাকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হয়েছে। পুকুরগুলো নিয়ে আদালতে রিট করেছিলেন দখলদাররা। রিট খারিজ হয়ে যাওয়ায় দরপত্র আহ্বান করা হয়। তানোর উপজেলা সহকারী ভূমি কমিশনারের অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাসরিন বানু জানান, উপজেলার ৯৮০টি সরকারি খাস পুকুরের কোনো রাজস্ব পায় না সরকার। পুকুরগুলো ইজারা দেওয়ার বিরুদ্ধে উপজেলার বাধাইড় ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ আদালতে রিট আবেদন করে ইজারা বন্ধ রেখেছিলেন। ২০১৭ সালে ঐ রিট খারিজ হয়ে যায়। কিন্তু খারিজের বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসেনি। সম্প্রতি বিষয়টি নজরে এলে গত ২৮ নভেম্বর প্রথম দফায় দরপত্র আহ্বান করা হয়। এতে ৫৪৪টি দরপত্র পাওয়া যায়। যাচাই-বাছাই শেষে ২৩৭টি পুকুর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তানোর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাসরিন বানু বলেন, অবশিষ্ট খাস পুকুরগুলো পর্যায়ক্রমে ইজারা দেওয়া হবে। রিটের বিষয়ে তিনি বলেন, আইন অনুযায়ী জলমহাল ইজারা থেকে রাজস্ব আদায়ের ওপরে আদালতের নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার কথা নয়। তবে রিটের বিষয়ে এখনো তিনি কোনো অভিযোগ পাননি বলে জানান।