উখিয়ায় ভাড়াবাসার ব্যাপক চাহিদার কারণে ইটের প্রয়োজনীয়তা বেড়ে যাওয়ায় গড়ে উঠছে অবৈধ ইটভাটা। অভিযোগ উঠেছে, প্রশাসনের কতিপয় দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে ম্যানেজ করে কয়লার পরিবর্তে কাঠ দিয়ে ইট পোড়ানো হচ্ছে এসব ইটভাটায়। কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেনের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, যেসমস্ত ইটভাটায় কয়লার পরিবর্তে কাঠ পোড়ানো হচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে মাঠে নামছে কক্সবাজারের প্রশাসন। তিনি বলেন, পরিবেশ অধিদপ্তরের ডিজিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার মাধ্যমে এসব ইটভাটা মালিকদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে।
সরেজমিন উখিয়া ও তত্সংলগ্ন নাইক্ষ্যংছড়ির একাংশ ঘুরে দেখা যায়, পাহাড়ি এলাকা ও লোকালয়ে প্রায় ১৮/২০টি ইটভাটা গড়ে তোলা হয়েছে। এসব ইটভাটায় স্তূপ করে হচ্ছে বনাঞ্চলের কাঠ।
তবে উখিয়া সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আমিমুল এহসান খান জানান, তিনি ইতিমধ্যে দুটি প্রভাবশালী ব্যক্তির ইটভাটায় ভ্রাম্যমাণ আদালত চালিয়ে ব্যাপক অনিয়ম পেয়েছেন। যার প্রেক্ষিতে তিনি ঐ দুইটি ইটভাটাকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নিকারুজ্জামান চৌধুরী বলেন, ফসলি জমির উর্বরতা নষ্ট করে মাটি তুলে নিয়ে ইট তৈরি বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাছাড়া বনসম্পদ ধ্বংস করে ইটভাটায় কয়লার পরিবর্তে কাঠ পোড়ানো প্রতিরোধ করা হবে।
