ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে শয্যা সংকট
ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি
ঝিনাইদহ সদর হাসপাতাল ২৫০ বেডে উন্নীতকরণের জন্য বহুতল ভবন নির্মাণের নির্ধারিত সময়সীমা এক বছর আগে পেরিয়ে গেছে। কিন্তু নির্মাণকাজ শেষ হয়নি। এতে রোগীরা ভোগান্তি পোহাচ্ছে। ২০১৩ সালে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতাল ১০০ বেড থেকে ২৫০ বেডে উন্নীত করা হয়। কিন্তু ১০০ বেডের সেটআপে হাসপাতালের কার্যক্রম চলে আসছে। রোগী বেড়েছে কয়েক গুণ। হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আইয়ুব আলি জানান, প্রতিদিন হাসপাতালে সাড়ে ৩০০ থেকে ৪০০ রোগী ভর্তি থাকে। আর আউটডোরে প্রতিদিন ১ হাজারের ওপর রোগী চিকিত্সা সেবা পেতে আসে। ওয়ার্ডগুলোর ভিতর ও বারান্দায় বাড়ি থেকে বিছানাপত্র এনে রোগীরা চিকিত্সা নেয়। রোগীতে হাসপাতালের ওয়ার্ডগুলো গিজগিজ করে।
সমস্যা সমাধানের জন্য বহুতল ভবন নির্মাণের প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। জেলার গণপূর্ত অফিস সূত্রে জানা যায়, ২০১৭ সালে ৩৭ কোটি ২৩ লাখ টাকা ব্যয়ে ভবন নির্মাণের কাজ শুরু হয়। ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে কাজটি শেষ হওয়ার কথা ছিল। এক বছর পেরিয়ে গেলেও শেষ হয়নি কাজ। এদিকে প্রকল্প ব্যয় ১১ কোটি টাকা বেড়ে ৪৮ কোটি ২৩ লাখ হয়েছে। ঠিকাদার আশফাক মাহমুদ জন জানান, বরাদ্দ টাকা ঢাকা থেকে ছাড় হতে বিলম্ব হচ্ছে। ৭ কোটি টাকা পাওনা রয়েছে তাদের। যার জন্য বেশ কিছুদিন কাজ বন্ধ রাখতে হয়। টাকা না পাওয়ায় কাজ শেষ করতে বিলম্ব হচ্ছে। তিনি দাবি করেন ৯৫ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে।
গণপূর্ত অধিদপ্তরের উপসহকারী প্রকৌশলী মো.আব্দুল মোতালেব বলেন, টাকা ছাড় হতে বিলম্বের জন্য কাজ শেষ হতে দেরি হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, এখন কাজ চলছে।
