এই মেলবোর্ন টেস্ট চলা অবস্থাতেও নাথান লায়নকে বিশ্রাম নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন শেন ওয়ার্ন। বলেছিলেন, লায়নের উচিত মিচেল সোয়েপসনের জন্য জায়গা করে দেওয়া। সেই মেলবোর্ন টেস্টেই দ্বিতীয় ইনিংসে ৪ উইকেট নিয়ে ম্যাচ জিতিয়েছেন লায়ন। এই মাঠের পারফরম্যান্সকেই যথেষ্ট মনে করেননি তিনি। মুখে ওয়ার্নকে পালটা আক্রমণ করে বলেছেন, ওয়ার্ন নিজে কখনো কাউকে জায়গা করে দেননি। লায়নও বিশ্রামে যেতে চান না।
ওয়ার্ন বেশ কিছুদিন ধরেই লেগস্পিনার সোয়াপসেনকে নিয়ে কাজ করছেন। তিনি মনে করেন, এই স্পিনারের এখন ম্যাচে সুযোগ পাওয়া উচিত। আর সে জন্য তিনি বলেছেন, লায়নের বিশ্রাম নেওয়া উচিত। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে পরের টেস্টেই সোয়াপসেনকে খেলানো উচিত।
এই প্রসঙ্গ শুনে একটু চটে উঠেই লায়ন বলেছেন, ‘ওয়ার্নি নিজে কী কখনো স্টুয়ার্ট ম্যাকগিলকে খেলার সুযোগ করে দিতে বিশ্রাম নিয়েছে? আমি যেচে বিশ্রাম নিচ্ছি না।’
এরপর অস্ট্রেলিয়ান এই স্পিনার একটু ব্যাখ্যা করে বলেছেন, সোয়াপসেন দলে থাকাটা তাদের জন্য ভালো একটা ব্যাপার। এটাতে বৈচিত্র্য বেড়েছে, ‘দুই স্পিনার থাকলে, সেটা নিয়ে কথা হবেই। মিচ (সোয়েপসেন) কুইন্সল্যান্ডের হয়ে দারুণ বল করছে। আমরা যে ওর কারণে খুব বৈচিত্র্যময় একটা স্কোয়াড পাচ্ছি, এটা অসাধারণ ব্যাপার। এর ফলে আমরা যে কোনো দলের চ্যালেঞ্জ নিতে পারি।’ লায়ন বলছেন, সোয়েপসেনের খেলাটা তার হাতে নেই। তবে দুজন একসাথে খেলতে পারলে যে অসাধারণ একটা ব্যাপার হবে, তাতে তার সন্দেহ নেই। তিনি বলছিলেন, ‘বোলিং করার জন্য ও অসাধারণ একজন সতীর্থ। সে খুব ভালো বল করে, যেটা আমি পছন্দ করি। আমরা বলকে স্পিন করাতে চাই। আমি মিচের বোলিংয়ের খুব ভক্ত। সে স্কোয়াডে থাকায় খুব খুশি। যদি আমরা একসাথে খেলার সুযোগ পাই। তাহলে আমাদের সমন্বয়টা খুব ভালো হবে।’ লায়ন মনে করেন না যে, সোয়েপসনের উপস্থিতি তার ভূমিকাতে কোনো পরিবর্তন এনেছে। এমনকি দুজন একসাথে খেললেও তার ভূমিকায় বদল আসবে না, ‘আমার মনে হয় না, একসঙ্গে খেললে আমার ভূমিকা বদলাবে। তবে একসঙ্গে খেলা নিয়ে আমি খুব রোমাঞ্চিত। এসসিজিতে (সিডনি) আমি অনেক দিন খেলি না। তাই ওখানকার কন্ডিশন বলতে পারছি না।’
