ব্যর্থতার ঘেরাটোপেই জাতীয় দল

আপডেট : ৩০ ডিসেম্বর ২০১৯, ২২:৫০

বিদায়ি বছরের শুরুটায় প্রীতি ম্যাচ আর বিশ্বকাপ প্রাক বাছাই-বাছাইপর্বের পারফরম্যান্স আঁধার কাটিয়ে আলোর আশাবাদ জাগিয়েছিল বাংলাদেশ ফুটবলে। তবে বছর শেষের এসএ গেমস ফুটবলে সোনা জিততে না পারায় ব্যর্থতার ঘেরাটোপে থেকেই আরেকটা বছর শেষ করল বাংলাদেশ।

পারফরম্যান্সে চড়াই-উতরাই

বছরের শুরুটা কম্বোডিয়ার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে জয় দিয়ে শুরু করেছিল বাংলাদেশ ফুটবল দল। এরপর বিশ্বকাপ প্রাক বাছাই পর্বে লাওসকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে বাছাইপর্ব শুরু করেছিল দলটি। বাছাইপর্বের শুরুটাও ছিল আশাজাগানিয়া। কোচ জেমি ডের শিষ্যরা দারুণ লড়েও প্রথম ম্যাচে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ১-০ ব্যবধানে হেরেছিল সে দিন। এমন পারফরমেন্সের ফলে একটা সময় র?্যাংকিংয়ের ১৮২ নম্বর স্থানেও উঠে এসেছিল বাংলাদেশ।

অক্টোবরের শুরুতে ভুটানের বিপক্ষে দুই প্রীতি ম্যাচের সিরিজে জয়ের পর কাতারের মুখোমুখি হয় জামাল ভুঁইয়ার দল। এশীয় চ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে ঘরের মাঠে ২-০ ব্যবধানে হারলেও পারফরম্যান্স সন্তোষজনকই ছিল দলের। কোচ জেমি ডে তো বলেই দিয়েছিলেন সামর্থ্যের সবটুকু দিয়েই লড়েছিল তার দল! পরের ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে শুরুতে এগিয়ে গিয়েও ১-১ গোলের ড্র সমীহই আদায় করেছিল প্রতিবেশীদের। বছরের শেষ বিশ্বকাপ বাছাই ম্যাচে ওমানকে শুরুর অর্ধে আটকে রাখলেও দ্বিতীয়ার্ধের ঝড়ে ৪-০ গোলে হারে দল। 

এ পর্যন্ত বছরটা শেষ হলে নির্ঘাত সফলই বলা যেত লাল-সবুজদের পারফরম্যান্সকে। তবে দলের সব পারফরম্যান্সকে স্থ­ান করে দেয় বছর শেষের এসএ গেমসের পারফরম্যান্স। ভারত-পাকিস্তানহীন লড়াইতে পাঁচ দলের মধ্যে তৃতীয় হয়ে শেষ করে বাংলাদেশ দল। আক্রমণভাগের ব্যর্থতা বিশ্বকাপ বাছাইপর্বেই পড়ছিল চোখে, এসএ গেমসের ব্যর্থতার পেছনে বড়ো একটা কারণ ছিল ভোঁতা আক্রমণভাগই।