২০১৯ সালে কত কী ঘটে গেল। নুসরাত রাফীকে পুড়িয়ে মারার নির্দেশ দিয়েছিল হুজুর সিরাজুদ্দৌলা। প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবরারকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছিল। অগ্নিকাণ্ডের মতো কত ঘটনা। ঢাকার চুড়িহাট্টাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় আগুনে পুড়ে মরল কত সাধারণ মানুষ—সম্পত্তি হারিয়ে কত মানুষ হলো পথের ভিখারি। ডেঙ্গু বা অ্যাডিস মশার উপদ্রব ছড়িয়ে পড়ছিল ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে। অ্যাডিস মশার কামড়ে মারা গেল কত মানুষ। পেঁয়াজের দাম ২০ টাকা থেকে লাফিয়ে লাফিয়ে ৩০০ টাকায় পৌঁছে গেল। এ কারণে অনেক পরিবারে মসলা হিসেবে পেঁয়াজ ব্যবহার প্রায় বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। রাজাকারের তালিকায় মুক্তিযোদ্ধাদের নাম প্রকাশ করে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় যে ভুল করেছিল, তা ছিল সত্যিই দুঃখজনক। ক্যাসিনো কাণ্ড দেশের সাধারণ মানুষের মনে এক চাঞ্চল্যকর অবস্থা সৃষ্টি করেছিল। রাস্তা দখল, ফুটপাত দখল, নদী দখল, চর দখলে দেশের শান্তিপ্রিয় মানুষেরা অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিল। তাই আমাদের প্রত্যাশা—২০২০ হোক একটি সুন্দর বছর। অর্থাত্ কোনো ধর্ষণের, কোনো হত্যাকাণ্ডের, অগ্নিকাণ্ডের, ডেঙ্গু মশার কামড়ে মৃত্যু, ক্যাসিনো ব্যবসা, পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি, রাস্তা ফুটপাত নদী, নদীর চর দখল, ভুল তালিকা প্রকাশ ইত্যাদি ন্যক্কারজনক ঘটনার পুনরাবৃত্তি যাতে না ঘটে—সেজন্য স্ব স্ব বিভাগ তত্পর থাকবে, দায়িত্ববান ব্যক্তিরা সচেতন হবেন।
লিয়াকত হোসেন খোকন, ঢাকা
