]সরকারি ব্যাংকে আমানতের সুদহার হবে সাড়ে ৫ শতাংশ ----------------অর্থমন্ত্রী

আপডেট : ০১ জানুয়ারি ২০২০, ২২:৪৭

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, আমানতের জন্য কোনো ব্যাংক কাউকে ৬ শতাংশের বেশি সুদের অফার করতে পারবে না। যদি সরকারি-বেসরকারি উভয় ব্যাংকে আমানতের ক্ষেত্রে সুদহার ৬ শতাংশ করে দেওয়া হয় তাহলে সবাই সরকারি ব্যাংকে টাকা রাখবে। তাই সরকারি ব্যাংকে ডিপোজিটের সুদহার হবে সাড়ে ৫ শতাংশ এবং বেসরকারি ব্যাংকে হবে ৬ শতাংশ। সব ধরনের ব্যাংক ঋণের সর্বোচ্চ সুদহার ৯ শতাংশ এবং আমানতের সর্বোচ্চ সুদ ৬ শতাংশ বাস্তবায়নে সরকার কঠোর। আগামী এপ্রিল থেকেই             এটি বাস্তবায়ন হবে।

গতকাল বুধবার সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় ও অর্থনৈতিক বিষয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। ১ জানুয়ারি থেকে বাস্তবায়ন করার কথা থাকলেও এপ্রিলে কেন করা হবে সেই প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, প্রথমদিকে আমরা ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করব বলে ধারণা ছিল। কিন্তু পরে দেখলাম, শুধু ম্যানুফ্যাকচারিং খাতের ঋণে সুদহার ৯ শতাংশ বাস্তবায়ন করা হলে অনেক খাত বাদ পড়ে যাবে। প্রধানমন্ত্রী বলে দিয়েছেন, যদি সফলতা পেতে চাও তাহলে সব ঋণ গ্রহীতাকে এ সুবিধা দাও। কোনো সেক্টরে ঋণ নিল এটা তার ব্যাপার। ঋণ গ্রহীতা যা-ই করবেন তাতেই দেশের লাভ হবে। যখন আমরা ব্যাংকারদের সঙ্গে বসলাম তখন তারা বললেন, যেহেতু একরকম আইডিয়া নিয়েছিলাম, এখন আরেকটা আইডিয়া দিচ্ছেন। আমাদের কিছু শর্ট টার্ম ডিপোজিট আছে যেগুলো দুই-তিন মাসের মধ্যে ম্যাচিউর করবে তাই আমরা এটি বাস্তবায়নে তিন মাস সময় চাচ্ছি। তবে এটি তারা বাস্তবায়নে একমত। এ জন্যই আমরা তাদের তিন মাস সময় দিয়েছি।

অর্থমন্ত্রী আরো বলেন, এজন্য সার্কুলার ইস্যু করা হবে, না হলে ভুল বোঝাবুঝি হবে। তবে সার্কুলার ইস্যু না করলেও ব্যাংকাররা এটি বাস্তবায়ন করবে বলে জানিয়েছেন। ব্যাংকগুলোতে সরকারি আমানত রাখার বিষয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকারি ডিপোজিট সরকারি-বেসরকারি উভয় ব্যাংককে দেব। সরকারি ব্যাংকগুলো সবই প্রায় বড়ো।

যানবাহনের নম্বর প্লেট বিক্রির পরিকল্পনা

নিলামের মাধ্যমে যানবাহনের পছন্দের নম্বর প্লেট বিক্রির পরিকল্পনা করা হচ্ছে। সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে। বৈঠকে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের মোটর ড্রাইভিং লাইসেন্স স্মার্ট কার্ড সংগ্রহ সংক্রান্ত একটি ক্রয় প্রস্তাব বাতিল করা হয়েছে।

এ বিষয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, উপযুক্ত সরবরাহকারী না পাওয়ায় এখানে পুনরায় দরপত্র আহ্বান করা হবে। পছন্দের নম্বর প্লেট নিলামের বিষয়ে তিনি বলেন, বিদেশে প্রত্যেকটি গাড়ির নম্বর প্লেট বা লাইসেন্স প্লেট নিলাম হয় এবং প্রচুর টাকা আয় করে। যত সুন্দর নম্বর তত দামও বেশি। আমরা পরবর্তীতে যেকোনো সময় থেকে এটা শুরু করব।