থার্টি ফার্স্ট নাইটে রাজধানীতে আতশবাজী- ফানুসের মহোৎসব

আপডেট : ০২ জানুয়ারি ২০২০, ০০:০০

পটকা-আতশবাজি ফোটানোসহ নানা নিষেধাজ্ঞা থাকলেও মঙ্গলবার মধ্যরাতে রাজধানী যেন আতশবাজীর মহোৎসব হয়েছে।

রাত ১২ টা ১ মিনিট থেকে ঢাকার অধিকাংশ বাসাবাড়ীর ছাদে আতশবাজী, রঙ-বেরঙের ফানুস উড়িয়ে বর্ষবরণ করতে দেখা যায়। আতশবাজি আর ফানুসের আলোয় উজ্জল হয়ে ওঠে আকাশ। আতশবাজী-পটকার আওয়াজে অনেকে আতংক ও অস্বস্তি বোধ করলেও কিছু করার ছিল না।

আরও পড়ুন : মাগুরায় দুই জেএসসি পরীক্ষার্থীর আত্মহত্যা

ফেসবুকে অনেকে এনিয়ে কড়া সমালোচনাও করেছেন । যেমন বিবিসির বিশিস্ট সাংবাদিক তার হ্যান্ডেলে লিখেছেন: ‘থার্টি ফার্স্ট নাইটে শুধু কড়াকড়ির ঘোষণা দিলেই হবে না, এটা কঠোরভাবে প্রয়োগ করাও উচিত। গতরাতে আতশবাজি আর পটকা ফুটানোর নামে যে জংলি মনোভাব দেখেছি সেটা একেবারে অগ্রহণযোগ্য। যাদের বাসায় শিশু আর অসুস্থ মানুষ আছে, তারাই শুধু বিষয়টা বুঝবে। অন্যরা এই তথাকথিত আনন্দের পক্ষে সাফাই গাইবে।’ তার এই স্টাটাসের নীচে পটকা-আতশবাজীর বিরুদ্ধে মন্তব্য করেছেন অনেকে। আকবর হোসেনের মতো অনেকেই এরকম স্টাটাস দিয়েছেন।

আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিষেধাজ্ঞা ও কড়া নিরাপত্তার মধ্যেও এই কর্মকাণ্ড কিভাবে হলো তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এতো পটকা আতশবাজী ফানুস লোকজন পেলো কোথায়? খোঁজ নিয়ে জানা যায় , গত বছর অবধি বিধিনিষেধের কারণে পটকা আতশবাজী ফানুস এগুলো সহজলভ্য ছিল না। অনেকে পুরানো ঢাকার চকবাজারসহ বিভিন্ন এলাকার দোকান থেকে গোপনে সংগ্রহ করতো এগুলো। কিন্তু এবার আতশবাজি ছিল সহজলভ্য। ঘরে বসেই পাওয়া গেছে। অনলাইনে ব্যাপকভাবে বিক্রি হয়েছে আতশবাজি। কয়েকটি অনলাইন শপ রীতিমত বিজ্ঞাপন দিয়ে পটকা আতশবাজি বিক্রি করেছে। ফলে থার্টি ফার্স্ট নাইটের আগেই তরুণরা মজুত করে রাখতে পেরেছে। যা ফুটিয়েছে মঙ্গলবার রাতে।

ইত্তেফাক/এমআরএম