কোচ হিসেবে শুরুটা সহজ হয়নি পাকিস্তানের মিসবাহ উল হকের। তাই, নিঃসন্দেহে ২০১৯ সালটাকে কখনোই ভুলবেন না পাকিস্তানের এই কোচ। তিনি নিজেও মনে করছেন, বছরটা তার জন্য কঠিন ছিল। এবার তিনি তাকিয়ে আছেন নতুন বছরের দিকে, তাকিয়ে আছেন তরুণ প্রজন্মের দিকে। আশা করেন, নতুন প্রজন্মই নতুন বছরটাকে সহজ করতে পারবে।
২০১৯ সালে পাকিস্তান বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠতে ব্যর্থ হয়। এরপরই কোচ করা হয় মিসবাহকে। দেশের মাটিতে ওয়ানডেতে এরপর দলটি শ্রীলঙ্কাকে ২-০ ব্যবধানে হারালেও, হারতে হয় টি-টোয়েন্টি সিরিজে। মিসবাহর অধীনে দলটি বাজেভাবে হেরেছে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষেও। যদিও, টেস্ট সিরিজে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জয় দিয়েই শেষ করেছে পাকিস্তান।
মিসবাহ বলেন, ‘২০১৯ সালে আমাদের শেষটা ভালো হয়েছে। যদিও, সব ফরম্যাট মিলিয়ে আমাদের জন্য সময়টা খুব কঠিন ছিল।’ যদিও, মিসবাহ মনে করছেন যে তার দল সঠিক পথেই আছে। তিনি বলেন, ‘সব মিলিয়ে আমরা সঠিক পথেই আছে। আমরা যত বেশি বড়ো পরিসরের ক্রিকেট খেলব, তত আমাদের উন্নতি হবে। একই সাথে সাদা বলের ক্রিকেটেও আমাদের উন্নতির অনেক সুযোগ আছে। বিশেষ করে, এই বছরই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। ফলে, এখানেই আমরা বেশি সময় দিচ্ছি।’
মিসবাহ মনে করেন, এখনই তরুণদের দায়িত্ব নেওয়ার আদর্শ সময়। তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি, নতুন বছরটা হবে নতুন প্রজন্মের। আমাদের এই সময়ে সাদা কিংবা লাল বল — দুই ধরনের ক্রিকেটেই যেমন অনেক উন্নতির সুযোগ আছে, তেমনি অনেক সম্ভাবনাও আছে। আমাদের দলের যোগ্যতা বা সক্ষমতার কোনো কমতি নেই। দলের এমন অনেক প্রতিভাবান ক্রিকেটার আছেন যারা মাত্রই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পা রেখেছেন। আশা করি, তাদের সময় দিলে পাকিস্তান ক্রিকেটের ভবিষ্যত্টা আলোকিত হবে।’
বিশেষ করে সাদা বলের ক্রিকেটে পাকিস্তানের বেশ ভালো সম্ভাবনা আছে বলে মনে করছেন মিসবাহ উল হক। তিনি বলেন, ‘সাদা বলের ক্রিকেটে ফখর জামান, হাসান আলী, শাদাব খানরা আছেন। ওরাই আমাদের ২০১৭ সালের আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জিতিয়েছে। তাদের ভুল সময়ে ফর্ম হারিয়ে ফেলার মাশুল আমরা ওয়ানডে বিশ্বকাপে দিয়েছি। আমাদের টি-টোয়েন্টিতে জয়ের সংখ্যাও কমে গেছে। নতুন বছরে লক্ষ্য থাকবে সাদা পোশাকে জয়ের ধারাবাহিকতা ফিরিয়ে আনা। দলে এখন যারা আছেন তাদের মধ্যেই কিছু পরিবর্তন আনতে পারলেই চূড়ান্ত সাফল্য অর্জন সম্ভব।’
ইত্তেফাক/বিএএফ
