বছরের প্রথম দিন সারা পৃথিবীতে জন্ম নিয়েছে ৩,৯২,০৭৮ শিশু। ইউনিসেফ এর দেয়া তথ্য অনুযায়ী, এর মধ্যে ভারতেই ভূমিষ্ঠ হয়েছে ৬৭,৩৮৫ জন। এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে থাকা চীনে জন্মগ্রহণ করেছে ৪৬,২৯৯ জন শিশু।
ইউনিসেফ জানায়, ২০১৯ থেকে ২০৫০ সালের মধ্যে ভারতে প্রায় ২৭৩ মিলিয়ন শিশু জন্ম নেবে। এই শতাব্দীর শেষে ভারত চীনকে টপকে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি জনসংখ্যার দেশে পরিণত হবে।
সারা বিশ্বে বছরের ১ম দিনে শিশু জন্মগ্রহণ করার বিষয়ে ইউনিসেফের এগজিকিউটিভ ডিরেক্টর হেনরিয়েটা ফোর জানিয়েছেন, নতুন বছর ও নতুন দশকের শুরুতে আমাদের আশা ও আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটানোর সুযোগ। কেবল আমাদের ভবিষ্যতের জন্যই নয়, তাদের ভবিষ্যতের জন্যও, যাদের আমরা নিয়ে এলাম। প্রতি বছর ক্যালেন্ডার জানুয়ারিতে পৌঁছালে আমরা সকলকে মনে করিয়ে দেই সমস্ত শিশুর মধ্যেই সৃজনশীল নতুন কিছু করার সম্ভাবনা রয়েছে, যদি তাদের সুযোগ দেওয়া হয়।
২০২০ সালের মোট সংখ্যার অর্ধেক সংখ্যক শিশুর জন্ম হয়েছে আটটি দেশে। সেই দেশগুলি হল— ভারত (৬৭,৩৮৫), চীন (৪৬,২৯৯), নাইজেরিয়া (২৬,০৩৯), পাকিস্তান (১৬,৭৮৭), ইন্দোনেশিয়া (১৩,০২০), আমেরিকা (১০,৪৫২), কঙ্গো প্রজাতন্ত্র (১০,২৪৭) ও ইথিওপিয়া (৮,৪৯৩)।
প্রতি বছরই ইউনিসেফ এই তালিকা প্রকাশ করে থাকে বছরের প্রথম দিনে। বছরের প্রথম দিন শিশুর জন্মগ্রহণ করা শুভ বলে ধরা হয়। তবে সব ক্ষেত্রে বিষয়টি নবজাতকদের জন্য সুখময় হয় না। নির্ধারিত সময়ের আগে জন্মানো, ডেলিভারির সময় জটিলতা এবং সেপসিসের মতো সংক্রমণজনিত কারণে শিশুদের মৃত্যু হয়।
প্রতি বছরই ২৫ লক্ষেরও বেশি শিশু জন্মের পরেই মারা যায়। তবে ইউনিসেফ জানাচ্ছে, গত তিন দশকে শিশুমৃত্যু প্রতিরোধে অভাবনীয় উন্নতি হয়েছে। পাঁচ বছর বয়সের আগে শিশুমৃত্যুর সংখ্যা অর্ধেকের নীচে নেমে এসেছে।
ইত্তেফাক/এমএএম
