ইত্তেফাক ডেস্ক
পৌষের মাঝামাঝি এসে সারাদেশের হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত হয়েছে। শুক্রবারে বৃষ্টির ফলে বেড়েছে শীতের তীব্রতা। শীত ও বৃষ্টিতে স্থবির হয়ে পড়েছে জনজীবন। ইত্তেফাক স্টাফ রিপোর্টার, প্রতিনিধি ও সংবাদদাতাদের পাঠানো খবর—
মাগুরা প্রতিনিধি: মাগুরায় মাঝারি আকারের বৃষ্টি হয়েছে। বেড়েছে শীতে তীব্রতা। বৃষ্টির ফলে অনেক স্থানে পানি জমে যায়। সকালে হেডলাইট জ্বালিয়ে যানবাহন চলাচল করতে দেখা যায়। প্রচণ্ড শীতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। শ্রমজীবী ও কৃষকরা মাঠে কাজ করতে গিয়ে পড়েছেন চরম বিপাকে।
স্টাফ রিপোর্টার, রংপুর: বৃষ্টিতে আবারও কাঁপন ধরিয়েছে উত্তরের জনপদ রংপুর ও আশপাশের জেলাগুলোতে। রাত থেকে গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টি হলেও সকাল সাড়ে ৮টার পর মাঝারি মানের ঝমঝম বৃষ্টিতে শীত বেড়ে যায়। গত ২৪ ঘণ্টায় সর্বনিম্ন ১৬ দশমিক ৪ এবং সর্বোচ্চ ২২ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অফিস। সঙ্গে ৪ দশমিক ৫ মাইল বেগে বয়ে যাওয়া বাতাসে কাবু হয়ে পড়েছে শ্রমজীবী মানুষের জীবন।
নাগেশ্বরী (কুড়িগ্রাম) সংবাদদাতা : নাগেশ্বরীতে বুধবার মধ্যরাত থেকে পরদিন বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টি হয়। শুক্রবার সকালে আবারও শুরু হয় বৃষ্টি। সাপ্তাহিক ছুটির দিন থাকায় বিশেষ কাজ ছাড়া কেউ বাড়ির বাইরে বের হয়নি। বেলা গড়িয়ে দুপুর ১২ টার দিকে বৃষ্টি থামে। এতে বিপাকে পড়েছে কর্মমুখী মানুষ। শীত থেকে বাঁচতে খড়কুটো জ্বালিয়ে উষ্ণতা নিতে দেখা যায়।
কাউখালী (পিরোজপুর) সংবাদদাতা: গত দুদিন ধরে গুঁড়িগুঁড়ি আবার কখনো হালকা বৃষ্টি হচ্ছে। হাড় কাঁপুনি শীতে বৃষ্টি আগমন ঠান্ডার পরিমাণকে আরো কয়েকগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে এখানে। এতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন দিনমজুর, জেলে, মাঝিসহ নিম্ন আয়ের মানুষের। গ্রামীণ সড়ক কাদায় মাখামাখি হয়ে গেছে। হাট-বাজার জনশূন্য প্রায়।
