স্পোর্টস রিপোর্টার
সেরা চারের লাইনআপে এখনো নিশ্চিত করা যাচ্ছে না কারো নাম। ৯ ম্যাচ করে খেলে রাজশাহী ও চট্টগ্রাম ১২ পয়েন্ট নিয়ে মোটামুটি নিশ্চিত সেরা চারে। সমান ৯ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট গতকাল ঢাকা প্লাটুন্সেরও। ফলে তারাও মোটামুটি নিশ্চিত। ভালোমতো লড়াইয়ে আছে খুলনা টাইগার্স। লড়াই থেকে এখনো ছিটকে যায়নি কুমিল্লা ও রংপুর।
গতকাল খুলনার সুযোগ ছিল বাকিদের চেয়ে একটু এগিয়ে যাওয়ার। শীর্ষ তিন দলের চেয়ে তারা ম্যাচ খেলেছে একটা কম। ফলে কাল ঢাকাকে হারাতে পারলে এক ম্যাচ হাতে রেখে সমান পয়েন্ট হতো তাদের। কিন্তু মুশফিকুর রহিমের প্রবল লড়াইয়ের পরও ১০ পয়েন্ট নিয়েই আছে খুলনা।
হাসান মাহমুদের দূরন্ত বোলিংয়ে গতকাল ম্লান হয়েছে খুলনা। ঢাকা প্লাটুন্স সিলেটে অনুষ্ঠিত গতকাল দিনের প্রথম খেলায় পেয়েছে ১২ রানের জয়। আগে ব্যাট করে ৪ উইকেটে ১৭২ রান করেছিল ঢাকা।
সকাল থেকে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টিতে খেলা নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছিল। সেই শঙ্কা কাটিয়ে একটু বিলম্বে শুরু হয় ম্যাচ। আগে ব্যাট করা ঢাকাকে ভালো একটা শুরু এনে দেন জাতীয় দলের দুই ওপেনার তামিম ইকবাল ও এনামুল হক বিজয়। দুজনে ৫.৩ বলে ৪৫ রান তোলেন। তামিম ২৩ বলে ২৫ রান করে আউট হন। আর বিজয় ১৩ বলে ১২ রান করে আউট হন। পরপর মেহেদী হাসান ৫ বলে মাত্র ১ রান করে ফেরেন আমিনুল ইসলামের বলে।
এরপর ঢাকার রানটা বড়ো করার কাজ করেন মুমিনুল ও আরিফুল। মুমিনুল ৩৬ বলে ৩৮ ও আরিফুল ৩০ বলে ৩৭ রান করেন। তবে আসল কাজটা করেন আসিফ আলী। তিনি উইকেটে এসে শেষ সময়ে একটা ঝড় তুলে ফেলেন। ১৩ বলে ২টি চার ও ৪টি ছক্কায় ৩৯ রান করে ফেলেন এই পাকিস্তানি।
জবাব দিতে নেমে খুলনার শুরুটা ভালো হয়নি। ৪৪ রানে হারিয়ে ফেলে তারা ৪ উইকেট। মিরাজ ১৫ বলে ১৫ ও রাইলি রুশো ১৩ বলে ১৮ রান করেন। কিন্তু এখান থেকে দলকে আবার স্বপ্ন দেখাতে শুরু করেন মুশফিকুর রহিম ও নাজিবউল্লাহ জাদরান। জাদরান ২৯ বলে ৩১ রান করে আউট হন। কিন্তু মুশফিক শেষের আগের ওভার পর্যন্ত চেষ্টা করেছেন।
শেষ পর্যন্ত তিনি ৩৩ বলে ৬টি চার ও ৪টি ছক্কায় ৬৪ রানের ইনিংস খেলে আউট হন। মুশফিক ফেরার পর আর বাকি কাজটা করতে পারেননি রবি ফ্রাইলিংকরা।
ঢাকার বোলিং নায়ক ছিলেন তরুণ ফাস্ট বোলার হাসান মাহমুদ। যুব ক্রিকেটে ও ঘরোয়া ক্রিকেটে আগেই দৃষ্টি আকর্ষণ করা হাসান ৩২ রান দিয়ে তুলে নিয়েছেন ৪ উইকেট।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
ঢাকা প্লাটুন্স: ২০ ওভারে ১৭২/৪
(আসিফ ৩৯*, মুমিনুল ৩৮, আরিফুল ৩৭*, তামিম ২৫; আমির ২/২৭)।
খুলনা টাইগার্স: ২০ ওভারে ১৬০/৮
(মুশফিক ৬৪, নাজিউল্লাহ ৩১; হাসান ৪/৩২)।
ফল: ঢাকা প্লাটুন্স ১২ রানে জয়ী
ম্যান অব দ্য ম্যাচ : হাসান মাহমুদ (ঢাকা)
