ফাইনালে উঠেও বসুন্ধরার অভিযোগ
স্পোর্টস রিপোর্টার
ফেডারেশন কাপ ফুটবলের ফাইনালে উঠেও খুব একটা হাসি মুখ দেখা গেল না বসুন্ধরা কিংসের স্প্যানিশ কোচ অস্কার ব্রুজনের। আবার সেই একই কথা বলেছেন তিনি। মাঠ, খেলোয়াড় এবং ফিকশ্চার।
তিনটা বিষয় নিয়ে তার কাছে গোলমেলে মনে হচ্ছে। ক্ষুব্ধ না হলেও কথায় ঝাঁজ ছিল। কণ্ঠে বারবার উঠে আসছিল নানা সমস্যার কথাগুলো। ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ম্যাচ খেলতে হচ্ছে। একা কীভাবে সম্ভব। মাঠে ভালো না। তারা নিজেদের গড়ে তোলা ভালো মাঠে খেলে অভ্যস্ত।
বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামের মাঠ ভালো না। মাঠে ঘাস খুব খারাপ। মাঠের সবুজাভ নেই। অস্কার ব্রুজন গতকালও বলেছেন, ‘গরুর চারণ ভূমি এটা।’ এমন মাঠে ফুটবলাররা খেলে ক্লান্ত হয়ে যাবে।’ কোচ বললেন, ‘জাতীয় দলে এই ফুটবলাররা ক্লান্ত শরীর নিয়ে বঙ্গবন্ধু টুর্নামেন্টে খেলবে। রেজাল্ট খারাপ হওয়ার আশঙ্কা থাকবে। আমরা দুই দিন পর ফাইনাল খেলব।’
কোচ যেসব কথা বলেছেন তা বাস্তব। তবে প্রশ্ন আছে ফিকশ্চার নিয়ে। ফিকশ্চার আগেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল বাফুফে হতে। বাফুফের মিডিয়া উইংয়ের দাবি, তারা যখন ফিকশ্চার পাঠিয়েছিল তখন বসুন্ধরা সেটা মেনে নিয়েছে। তাদের ক্লাব কর্মকর্তারা রয়েছেন, তারা কেন বিষয়টি উত্থাপন করেননি? কোচ আশঙ্কা করছেন দুই দিনের ব্যবধানে ফাইনাল খেলতে হবে সেখানে খারাপ রেজাল্ট হতেও পারে।
বসুন্ধরা কিংসের কাছে ৩-০ গোলে হেরে পুলিশ ফুটবল ক্লাবের সার্বিয়ান কোচ নিকোলা ভিটরোভিক কোনো অজুহাত দেখাতে রাজি না। তার পরও বলেছেন, ‘দুই দিনে দুই ম্যাচ খেলা কঠিন। একই একাদশ নিয়ে খেলতে হচ্ছে। বসুন্ধরা কিংস কঠিন দল, বড়ো দল, তাদের সাইড বেঞ্চ খুব ভালো। একেকটা ম্যাচে খেলোয়াড় চেঞ্জ করে খেলিয়েছে। আমাদের পক্ষে।’
৩ গোল হজম করলেও শেষ গোলটি নিয়ে আপত্তি কোচের। তার খেলোয়াড়দের ওপর একটু নাখোশ হয়েছে কোচ। পুলিশের বিপক্ষে জয় নিয়ে বসুন্ধরার কোচ অস্কার ব্রুজন এক কথা বললেন, ‘আমরা বড়ো দল, ভালো দল, বেশি বাজেটের দল। আমাদের সাইড বেঞ্চ খুব ভালো। এটা এগিয়ে দিয়েছে বসুন্ধরাকে।’
বসুন্ধরার সাইড বেঞ্চের ফুটবলার কোচ কর্মকর্তাদের আচরণে হতাশ হয়েছেন পুলিশ ফুটবল দলের ম্যানেজার মারুফুল হকের। বসুন্ধরাকে অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘অফসাইডে গোল বাতিলের প্রতিবাদে সাইড বেঞ্চ থেকে সবাই যেভাবে সহকারী রেফারিকে ঘিরে ধরেছিলেন, এটাতে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। আমরা ছোটো দল। আমাদেরকে লিগেও খেলতে হবে।’
