রয়টার্স
ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তা ও আশপাশের এলাকায় ভারি বৃষ্টিপাতের কারণে বন্যা ও ভূমিধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৩ জনে। শুক্রবার ইন্দোনেশিয়ার সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়, বন্যার কারণে হাজার হাজার মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়েছে।
দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার সবচেয়ে বড়ো শহর জাকার্তার অনেক অংশ এখনো বন্যার পানিতে ডুবে আছে বলে শুক্রবার ইন্দোনেশিয়ার বিভিন্ন টেলিভিশন ফুটেজে দেখানো হয়েছে। আবাসিক এলাকা ও সরকারি স্থাপনার কাছ থেকে পানি সরিয়ে নিয়ে বৃহস্পতিবার থেকে কর্তৃপক্ষ শহরটিতে কয়েকশ পাম্পও মোতায়েন করেছে। শুক্রবার এক বিবৃতিতে দেশটির আবহাওয়া, জলবায়ু ও ভূ-প্রকৃতি সংস্থা (বিএমকেজি) জানায়, ১৫০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে ভারি বৃষ্টিপাত ছিল এটি। সংস্থাটি এ বৃষ্টিকে ‘ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ বর্ষণ’ হিসেবে বর্ণনা করে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণেই এরকম ভয়াবহ আবহাওয়া দেখা দিয়েছে বলে জানানো হয়েছে। এই বৈরি আবহাওয়া ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। ভারি বৃষ্টিপাত ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি পর্যন্ত চলবে বলে সংস্থাটি জানিয়েছে।
এদিকে ভারী বর্ষণ থামাতে মেঘ জাকার্তায় আসার আগেই বৃষ্টি ঝরানোর পরিকল্পনা করছে ইন্দোনেশিয়ার সরকার। শুক্রবার সুন্দা প্রণালীর আকাশে ‘ক্লাউড সিডিং’ করতে ছোটো-বড়ো তিনটি বিমানও প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলে দেশটির সরকারি প্রযুক্তি সংস্থা বিপিটিটি জানিয়েছে। ক্লাউড সিডিং বা মেঘে বৃষ্টিকণার বীজ বপনের মাধ্যমে আগেই বৃষ্টি ঝরানো যায়। আবহাওয়াজনিত বিপজ্জনক পরিস্থিতি মোকাবেলায় অনেক দেশই এখন এ প্রযুক্তির সহায়তা নেয়।
